পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় (WB Assembly) চলতি বাজেট অধিবেশনকে কেন্দ্র করে এমনিতেই এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শাসক-বিরোধী সমীকরণের পাশাপাশি এখন দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের মধ্যেও একে অপরের বিরুদ্ধে অবস্থান। অনেক ক্ষেত্রেই শাসক দলের আক্রমণের চেয়ে নিজেদের মধ্যে পাল্টা মন্তব্যে বেশি সরব হতে দেখা যাচ্ছে বিরোধী বিধায়কদের। ফলে অধিবেশনের প্রতিটি মুহূর্তই রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে।
এই আবহেই বৃষ্টিভেজা এক দুপুরে বিধানসভা চত্বরে ঘটল এমন এক ঘটনা, যা মুহূর্তের মধ্যেই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। কয়েক মিনিটের একটি আকস্মিক সাক্ষাৎ ঘিরে শুরু হয় তীব্র কৌতূহল ও জল্পনা। বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে অধিবেশনে তারাতলা কাণ্ড নিয়ে বিবৃতি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বক্তব্য শেষে তিনি অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করে নিজের কক্ষে ফিরছিলেন।
ঠিক সেই সময়ই ঘটে ঘটনাটি। অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh meets CM) । হঠাৎই মুখোমুখি হন বিরোধী শিবিরের এক গুরুত্বপূর্ণ মুখের সঙ্গে। পরিস্থিতি দেখে মুহূর্তের জন্য দাঁড়িয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই দুই নেতার মধ্যে শুরু হয় সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ কথোপকথন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুই নেতার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কয়েক মিনিট ধরে চলে। যদিও আলোচনার বিষয়বস্তু স্পষ্টভাবে জানা যায়নি,(Kunal Ghosh meets CM) তবে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ বলছেন, এটি নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ, আবার কেউ মনে করছেন এর পিছনে থাকতে পারে ভিন্ন রাজনৈতিক বার্তা।
এই সাক্ষাৎকে(Kunal Ghosh meets CM) ঘিরে গোটা বিধানসভা চত্বরে মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে আলোচনা। বিভিন্ন দলের বিধায়করা নিজেদের মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে চর্চা শুরু করেন। বিশেষ করে বাজেট অধিবেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন একটি আকস্মিক সাক্ষাৎ রাজনৈতিক দিক থেকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকে।
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী ওইদিন অধিবেশনে দাঁড়িয়ে তারাতলা ঘটনার প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন। প্রশাসনিক দিক ও তদন্তের অগ্রগতি নিয়েও তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। বক্তব্য শেষ করেই তিনি অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। ঠিক সেই সময়েই কুণাল ঘোষের উপস্থিতি এবং তার পরবর্তী কথোপকথন এই ঘটনাকে আরও বেশি আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।



