হাসপাতাল থেকে রেললাইন, হাওড়ার জন্য বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

হাওড়ার উন্নয়নের পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল শনিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM MODI) জেলার জন্য দু’টি বড় রেল ও পরিকাঠামোগত প্রকল্পের সূচনা করেছেন।…

Parliament in Disarray as PM Modi's Speech Is Cancelled Just Before Start

হাওড়ার উন্নয়নের পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল শনিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM MODI) জেলার জন্য দু’টি বড় রেল ও পরিকাঠামোগত প্রকল্পের সূচনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে হাওড়া স্টেশনের নিকটে একটি আধুনিক ৩০০ শয্যার ডিভিশনাল রেলওয়ে হাসপাতাল নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং সাঁতরাগাছি থেকে সাঁকরাইল পর্যন্ত তৃতীয় রেল লাইনের উদ্বোধন। এই দুই প্রকল্পকে হাওড়া তথা দক্ষিণবঙ্গের উন্নয়নের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন রেল ও প্রশাসনিক কর্তারা।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন ডিভিশনাল রেলওয়ে হাসপাতালটি নির্মিত হবে হাওড়া স্টেশনের কাছেই অবস্থিত প্রাক্তন বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানার জমিতে। (PM MODI) একসময় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এই কারখানা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ভারী শিল্প মন্ত্রকের অধীনে থাকা জমিটি পরে রেল মন্ত্রকের হাতে আসে। সেই জমিকেই এবার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

   

প্রস্তাবিত হাসপাতালটি হবে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন। ৩০০ শয্যার এই হাসপাতালের মাধ্যমে রেলকর্মী, তাঁদের পরিবার এবং সাধারণ মানুষ উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ পাবেন। হাসপাতালটিতে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, উন্নত ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থা এবং একাধিক বিশেষায়িত বিভাগের পরিষেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন রেল আধিকারিকরা।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী (PM MODI) ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাসপাতাল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। রেল কর্তৃপক্ষের মতে, হাসপাতালটি চালু হলে হাওড়া এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে চিকিৎসার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালের উপর নির্ভর করতে হয়। নতুন এই হাসপাতাল সেই চাপ অনেকটাই কমাতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, একই দিনে প্রধানমন্ত্রী(PM MODI) সাঁতরাগাছি থেকে সাঁকরাইল পর্যন্ত তৃতীয় রেল লাইনেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অত্যন্ত ব্যস্ত এই রুটে দীর্ঘদিন ধরেই অতিরিক্ত লাইনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছিল। যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী ট্রেনের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান লাইনের উপর চাপও বাড়ছিল। নতুন তৃতীয় লাইন চালু হওয়ার ফলে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তৃতীয় রেললাইন চালু হলে ট্রেন চলাচল আরও দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন হবে। বিশেষ করে পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে গতি বৃদ্ধি পাবে, যা শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যকলাপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে যাত্রী পরিষেবার মানও উন্নত হবে। ভবিষ্যতে নতুন ট্রেন চালু করা এবং পরিষেবা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও এই রেললাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।