মমতার ঘনিষ্ঠ হয়েও দলবদলের জল্পনা! কী বললেন ববি হাকিম?

Speculation Over Party Switch Despite Mamata Banerjee’s Close Ally: Bobby Hakim Responds
Speculation Over Party Switch Despite Mamata Banerjee’s Close Ally: Bobby Hakim Responds

আজ রাজ্য রাজনীতিতে ফের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে কলকাতা বন্দরের তৃণমূল বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) ঘিরে একাধিক জল্পনা। সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহল ও সংবাদমাধ্যমে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল তিনি কি নতুন কোনো “নব তৃণমূল ব্লকে” যোগ দিতে চলেছেন? নাকি দলের ভেতরের বর্তমান সমীকরণেই কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ফিরহাদ হাকিমকে (Firhad Hakim) ঘিরে এই ধরনের গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। বিশেষ করে যখন দলের অভ্যন্তরে নানা স্তরে মতভেদ ও পুনর্গঠনের আলোচনা চলছে, তখন তাঁর অবস্থান নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। সকাল থেকে সাংবাদিকরা তাঁকে একাধিকবার প্রশ্ন করেন, কিন্তু প্রতিবারই তিনি স্পষ্টভাবে প্রশ্ন এড়িয়ে যান।

   

এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল “আপনি তো দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন ছিলেন। তাহলে কি আপনি এখন ঋতব্রত শিবিরে যাচ্ছেন?” এই প্রশ্নের জবাবে ফিরহাদ হাকিম সরাসরি বলেন, “আমি তো আপনাদের বললাম, প্লিজ আমায় এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না। আমি কিছু বলবো না।” তাঁর এই সংক্ষিপ্ত ও অনমনীয় প্রতিক্রিয়া আরও বেশি কৌতূহল বাড়িয়ে দেয় রাজনৈতিক মহলে।

এরপর আরও এক প্রশ্ন আসে, যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে নোটিস জারি হওয়া প্রসঙ্গ টেনে পুরসভার সিদ্ধান্ত নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। সেই সময়ও তিনি স্পষ্ট করেন যে, তিনি এখন আর মেয়রের দায়িত্বে নেই। তিনি বলেন, “আমি এখন মেয়র নই। আমায় কেন এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করছেন এখন। প্লিজ এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না।” এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, তিনি বর্তমান প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক বিতর্কে নিজেকে জড়াতে চাইছেন না।

তৃতীয় দফায় যখন আবারও তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও সম্ভাব্য শিবির পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখনও একই ধরণের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। তিনি কি এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন, নাকি কোনো নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের দিকে এগোচ্ছেন। উত্তরে ফিরহাদ হাকিম আবারও বলেন, “প্লিজ আমাকে কিছু জিজ্ঞাসা করবেন না।” তাঁর এই ধারাবাহিক নীরবতা এবং মন্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা নতুন করে রাজনৈতিক ব্যাখ্যার সুযোগ তৈরি করেছে।