শিলিগুড়ি: রাজ্য সরকারের নির্দেশে রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে মাদ্রাসা সমীক্ষার কাজ। (Agnimitra Paul)এই সিদ্ধান্তকে ‘অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী’ বলে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্য মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গত ৩৪ বছরে পশ্চিমবঙ্গে রোহিঙ্গা ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন অবৈধ মাদ্রাসাগুলিকে জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে গড়ে উঠতে দেওয়া যাবে না।
#WATCH | Siliguri: On state govt orders statewide survey of Madrasas, West Bengal Minister Agnimitra Paul says, “It is very much required and very much necessary because… in the last 34 years, we have seen how Rohingyas and illegal infiltrators were encouraged and brought into… pic.twitter.com/Thha7cYlj0
— ANI (@ANI) June 7, 2026
একইসঙ্গে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়ের শিশুদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএএস, বিজ্ঞানী ও আইএফএস কর্মকর্তা হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। শিলিগুড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, “এই সমীক্ষা খুবই প্রয়োজনীয়। গত ৩৪ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে রোহিঙ্গা ও অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের পশ্চিমবঙ্গে উৎসাহিত করে আনা হয়েছে।”
আরও দেখুনঃ রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত
শাদ আলি নামের এক জঙ্গিকে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন সে অবৈধ মাদ্রাসায় আশ্রয় নিয়ে থাকত। সেখান থেকেই সে তিনবার ভোট দিয়েছে। আমরা তার ভোটার কার্ডও দেখেছি। আমরা চাই না বাংলা জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হোক।”মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা চাই আমাদের মুসলিম ভাই-বোনদের সন্তানরা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে চলা উন্নয়নের যাত্রায় অংশ নিক।
আইনি মাদ্রাসাগুলিতেও আধুনিক শিক্ষা চালু করতে হবে। মুসলিম ছেলে-মেয়েরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইএএস অফিসার, বিজ্ঞানী বা আইএফএস হোক। তারা বাংলা ও ভারতের উন্নতির অংশীদার হোক।”এই বক্তব্য রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিজেপি নেতারা বলছেন, মাদ্রাসাগুলির স্বচ্ছতা ও নিয়ন্ত্রণ না থাকায় অনেক জায়গায় সেগুলি শিক্ষার চেয়ে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।
অগ্নিমিত্রা পালের উদাহরণ অনুসারে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি কিছু মাদ্রাসা জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গেও যুক্ত। তাই রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেক হিন্দু ও সাধারণ মুসলিম পরিবার মনে করেন, আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয় হলে তবেই প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব।




















