যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে ইরান একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেছে। ইরান দাবি করেছে যে, তারা হরমুজ প্রণালীতে একটি শক্তিশালী মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ধ্বংস করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোনটি (প্রতিটি ড্রোনের দাম ৩০ থেকে ৩২ মিলিয়ন ডলার) ভূপাতিত করতে ইরান একটি নতুন বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে যে, ইরানের নতুন বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম রাখা হয়েছে “আরাশ-ই-কামাঙ্গির” (Arash-e-Kamangir)। ইরানি পৌরাণিক কাহিনীর কিংবদন্তী যোদ্ধা আরাশের নামে নামকরণ করা এই অস্ত্রটি তেহরান প্রথমবারের মতো ব্যবহার করেছে।
ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া একটি শত্রু গুপ্তচর ড্রোনকে প্রতিহত করতে ‘আরাশ-ই-কামাঙ্গির’ সিস্টেমটি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সিস্টেমটির স্টিলথ-শনাক্তকরণ ক্ষমতা রয়েছে। ইরান এ বিষয়ে আর কোনো প্রযুক্তিগত বিবরণ দেয়নি।
এর নামটি বিশেষ কেন?
ইরানের নতুন ইন্টারসেপ্টর সিস্টেমটির নামকরণ করা হয়েছে পারস্য পুরাণের এক বীরের নামে। লোককথা অনুসারে, আরাশ ইরান ও মধ্য এশিয়ার সীমান্ত চিহ্নিত করার জন্য একটি তীর নিক্ষেপ করেছিলেন। ইরানি কবিতা ও সাহিত্যে আরাশকে এমন একজন বীর হিসেবে শ্রদ্ধা করা হয়, যিনি ইরানকে বিদেশি আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করেছিলেন।
ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, নতুন এই ব্যবস্থাটি বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার একটি প্রচেষ্টা। বায়ু প্রতিরক্ষা বিষয়ে ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি নমনীয়তা, স্থায়িত্ব এবং গতিশীলতার কথা মাথায় রেখে তৈরি করা ব্যবস্থার উন্নয়নের চেয়ে একটি আধুনিক ও সমন্বিত নেটওয়ার্ক বজায় রাখার ওপর বেশি কেন্দ্রীভূত।




















