কলকাতা: নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তারা কোনও ফর্ম ছাড়াই সরাসরি ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’-এর ৩ হাজার টাকা পাবেন। কিন্তু বাস্তবে ১২ পাতার ফর্ম হাতে আসতেই মহিলাদের একাংশের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলছেন, ৩ হাজার টাকার জন্য সরকার একেবারে ‘হাঁড়ির খবর’ চেয়ে বসছে। (agnimitra paul explained about annapurna bhandar form)
এই বিতর্কের আবহেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অগ্নিমিত্রা পল স্পষ্ট জানান, পূর্বতন সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে কী বিপুল পরিমাণ জালিয়াতি হয়েছে, তা আগে তাঁদের জানা ছিল না। স্ক্রুটিনি করতে গিয়ে দেখা গিয়েছে, ৯১ লক্ষ ভুয়ো নাম SIR-এ বাদ পড়েছে এবং এমনকি পুরুষরাও এই ভাতার টাকা তুলছিলেন! সেই কারণেই জনগণের ট্যাক্সের টাকার সম্মান রক্ষার্থে এই কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে যোগ্য মহিলারা যে প্রত্যেকেই এই প্রকল্পের টাকা পাবেন, সেই আশ্বাসও দিয়েছেন মন্ত্রী।
প্রশাসন সূত্রে খবর, এই বিশদ তথ্যভাণ্ডার আসলে ভবিষ্যতের সমস্ত সরকারি প্রকল্পের জন্য একটি ‘অভিন্ন ডেটাবেস’ হিসেবে কাজ করবে। একদিকে ব্যাংকে ডিবিটি (DBT) লিঙ্ক করানোর লম্বা লাইন, অন্যদিকে পাতার পর পাতা ফর্ম পূরণের ঝঞ্ঝাট, এই জোড়া ফলায় জেরবার উপভোক্তারা। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে অগ্নিমিত্রা পল জানিয়েছেন, আবেদনের পদ্ধতি যদি কিছুটা সহজ বা সরল করা যায়, তা নিয়ে তাঁরা চিন্তাভাবনা ও পর্যালোচনা করছেন।




















