Home Bharat ‘সন্ত্রাসে উস্কানি দেওয়া অভিযুক্তদের রেহাই নেই!’ দিল্লি দাঙ্গায় কড়া অবস্থান মোদী সরকারের

‘সন্ত্রাসে উস্কানি দেওয়া অভিযুক্তদের রেহাই নেই!’ দিল্লি দাঙ্গায় কড়া অবস্থান মোদী সরকারের

delhi-riots-uapa-bail-hearing-modi-government-strong-stand

নয়াদিল্লি: সন্ত্রাসে যুক্ত থাকা বা সন্ত্রাসে উস্কানি দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের রেহাই নেই। (Delhi Riots)দিল্লি দাঙ্গা নিয়ে এবার আরও কড়া বার্তা দিল মোদী সরকার। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ভয়াবহতা এখনও অনেকের মনে তাজা। সেই দাঙ্গায় ৫৩ জনের প্রাণ গিয়েছিল, শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলেন, আর পুরো এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল আগুন লাগানো ও হিংসার ছবি।

- Advertisement -

সেই মামলায় ইউএপিএ-র আওতায় অভিযুক্তদের জামিন আবেদন শুনানির সময় কেন্দ্র সরকার আদালতে একটি স্পষ্ট ও দৃঢ় বার্তা দিয়েছে। কেন্দ্রের আইনজীবীদের বক্তব্য “শুধুমাত্র বিচার প্রক্রিয়ার বিলম্বের কারণে কসাবকে জামিন দেওয়া হতো কি?” এমন প্রশ্ন তুলে কেন্দ্র জানিয়েছে, গুরুতর ইউএপিএ মামলায় “জামিন নিয়ম, জেল ব্যতিক্রম” এই নীতি অন্ধভাবে প্রয়োগ করা যাবে না।

   

আরও দেখুনঃ পুলিশদের ভুঁড়ি কমাতে সকালে হাঁটার পরামর্শ শুভেন্দুর

দিল্লি হাইকোর্টে চলা শুনানিতে কেন্দ্রের আইনজীবীরা স্পষ্টভাবে বলেছেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুতর অপরাধীদের ক্ষেত্রে বিলম্বকে একমাত্র যুক্তি করে জামিন দেওয়া উচিত নয়। তাঁরা উদাহরণ দিয়ে বলেন, যদি পাকিস্তান থেকে হাফিজ সাঈদকে ধরে এনে পাঁচ বছর জেলে রেখে বিদেশ থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়, তাহলে শুধু সময় পেরিয়ে গেছে বলে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া উচিত হবে কি? এই বক্তব্যটি আদালতে উপস্থাপন করার সময় উপস্থিত অনেকেই অনুভব করেছেন যে, সন্ত্রাস ও দাঙ্গার মামলায় এখন পর্যন্ত চলা জামিনের প্রবণতার বিরুদ্ধে সরকার একটি দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে।

২০২০-এর ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় যে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়েছিল, তা শুধু সাম্প্রদায়িক সংঘাত নয়, বরং পরিকল্পিত হিংসা হিসেবেই অনেকে দেখেন। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে, কিছু সংগঠিত গোষ্ঠী এই ঘটনার পেছনে ছিল। ইউএপিএ-র মামলায় অভিযুক্তদের অনেকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে অস্ত্র সরবরাহ, ভিড় জড়ো করা, এবং হিংসা উস্কান। এমন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের যুক্তি হল, এই মামলাগুলো সাধারণ ফৌজদারি মামলার মতো দেখা যাবে না।

জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন এখানে জড়িত।আইনজীবীদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আদালতে সন্ত্রাস ও দাঙ্গার অভিযুক্তদের জামিন পাওয়ার ঘটনা বেড়েছে। “ব্যক্তিগত স্বাধীনতা” কে প্রাধান্য দিয়ে অনেক ক্ষেত্রে জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। কেন্দ্র বলছে, এই প্রবণতা বিপজ্জনক। দাঙ্গায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবার, আহত মানুষজন এবং সমাজের সামনে ন্যায়বিচারের প্রশ্ন উঠে আসে। শুধুমাত্র সময়ের অজুহাতে অভিযুক্তদের ছেড়ে দেওয়া হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটতে উৎসাহিত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

Follow on Google