
হাওড়া: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শামীম আহমেদকে (Shamim Ahmed)গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে। শিবপুর থানার ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় অভিযুক্ত শামীমকে শনিবার পুলিশ আদালতে চালান করে। এই গ্রেফতারকে ঘিরে হাওড়া জেলায় রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকে এটিকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে মনে করছেন, আবার কেউ কেউ রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেও দাবি করছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর শিবপুর এলাকায় ব্যাপক হিংসা ও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটে। বিরোধী দলের কর্মীদের বাড়িতে হামলা, বোমাবাজি, লুঠপাট এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় শামীম আহমেদসহ একাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মীর নামে অভিযোগ দায়ের হয়। দীর্ঘদিন তদন্তের পর অবশেষে পুলিশ শামীম আহমেদকে গ্রেফতার করে।
আরও দেখুনঃ ভারত-মার্কিন সম্পর্কে বক্তৃতা! ভারতীয় সাংবাদিকের বর্ণ বিদ্বেষ সংক্রান্ত প্রশ্নে বিব্রত রুবিও
তাঁকে হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।শামীম আহমেদ শিবপুর এলাকায় তৃণমূলের একজন পরিচিত মুখ। স্থানীয়রা তাঁকে এলাকার প্রভাবশালী নেতা হিসেবে চেনেন। ভোটের পর শিবপুরের বিভিন্ন এলাকায় যে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল, তার মূল পাণ্ডা হিসেবে তাঁর নাম উঠে আসে। বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, শামীমের নেতৃত্বে তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের উপর নির্যাতন চালানো হয়।
বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী আহত হন এবং কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। এই ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ার পরও দীর্ঘদিন কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বিরোধীরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শিবপুর এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বিজেপির তরফে এই গ্রেফতারকে স্বাগত জানানো হয়েছে।













