নোয়াপাড়ায় স্কুল ছাত্রদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচার! বিতর্কে তৃণমূলের তৃণাঙ্কুর

কলকাতা: নির্বাচনী আবহে সারা রাজ্যেই এই মুহূর্তে উত্তেজনা তুঙ্গে, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই আবহ থেকে বাদ পড়েনি নোয়াপাড়া বিধানসভা। (Noapara)অভিযোগ উঠেছে এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য স্কুল ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
noapara-school-students-election-rally-tmc-controversy

কলকাতা: নির্বাচনী আবহে সারা রাজ্যেই এই মুহূর্তে উত্তেজনা তুঙ্গে, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই আবহ থেকে বাদ পড়েনি নোয়াপাড়া বিধানসভা। (Noapara)অভিযোগ উঠেছে এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে নির্বাচনী মিছিল করেছেন নববর্ষের দিন। শুধু তৃণাঙ্কুর নন সঙ্গে ছিলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন তৃণমূল নেতা ২০০০ সালে নিহত বিকাশ বসুর ভাই প্রদীপ বসু এবং স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকও।

নোয়াপাড়া কেন্দ্রে ঐতিহ্যবাহী স্কুল নর্থল্যান্ড হাই স্কুলের ছাত্রদের নির্বাচনী মিছিলে সামিল করা নিয়ে অভিযোগ করেছেন বাম প্রার্থী গার্গী চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি এবং বাম প্রার্থীরা স্কুলে গেলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিদ্ধার্থ কর জানান এই মিছিল শুধু মাত্র নববর্ষকে কেন্দ্র করেই আয়োজন করা হয়েছিল এবং সেখানে তৃণমূল প্রার্থী যোগদান করতেই পারেন।

   

আরও দেখুনঃ গুগলের সাহায্যে বিনামূল্যে NEET UG 2026-এর প্রস্তুতি নিন, সহায়ক হবে জেমিনি অ্যাপ

স্কুলের ছাত্ররা জানিয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকই তাদের মিছিলে যোগ দিতে বলেছেন। বিরোধী প্রার্থীরা এই ঘটনার নিন্দা করে বলেছেন রাজনীতির ময়দানে পড়ুয়াদের নিয়ে আসার মত জঘন্য কাজ শুধুমাত্র তৃণমূলই করতে পারে। বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেছেন নববর্ষের মিছিলের আড়ালে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে তৃণমূল এবং সেখানে টেনে আনছে স্কুল পড়ুয়াদের।

তবে এই ঘটনায় দোষের কিছু দেখছেন না তৃণমূল প্রার্থী এবং নেতৃত্ব। বিরোধী নেতৃত্ব তাদের মতামত প্রকাশ করে জানিয়েছে কোনও স্কুলের প্রধান শিক্ষক তিনি নির্বাচনী অফিসার হতেই পারেন কিন্তু এইভাবে নিজে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে হাটতে পারেন না এবং সর্বোপরি স্কুল পড়ুয়াদের কোনও রাজনৈতিক মিছিলে হাঁটাতে পারেন না। এই ঘটনাকে সামনে এনে নির্বাচন কমিশনের কাছে সুবিচারের জন্য আবেদন করেছেন বিরোধীরা।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক সায়ন্তন দাসের মন্তব্য নিলে তিনি সাফ জানান এই মুহূর্তে স্কুলটিতে কোনও প্রধান শিক্ষক নেই। সিদ্ধার্থ কর হলেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিনি আরও গুরুতর অভিযোগ করে বলেন এই স্কুলে যদি প্রধান শিক্ষক কেউ থাকতেন তাহলে এই নক্কার জনক ঘটনা ঘটত না।

তবে এই মুহূর্তে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষক মহলেও এই ক্ষোভ আগুনের মত ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের মতে তৃণমূল শিক্ষা ব্যাবস্থাকে রাস্তায় এনে দাঁড় করিয়েছে। তার জ্বলন্ত উদাহরণ হল নোয়াপাড়ার এই ঘটনা। যেখানে নববর্ষের নাম করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক স্কুল পড়ুয়াদের তুলে নিয়ে এসে নির্বাচনী প্রচারে সামিল করে।

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.

Follow on Google