নবান্ন: রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান নিয়ে ফের নতুন করে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যের একাংশ কর্মী ইতিমধ্যেই বকেয়া ডিএর একটি অংশ পেয়ে গেলেও এখনও বহু কর্মী সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। বিশেষ করে রাজ্যের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, এবং পুরসভা ও পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্মীরা এখনও বকেয়া ডিএর অর্থ হাতে পাননি। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
অর্থ দপ্তরের শীর্ষ আমলারা ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে কয়েক দফা আলোচনা করেছেন। বকেয়া ডিএ বণ্টনের জটিলতা ও বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব দূর করাই এই বৈঠকগুলির মূল উদ্দেশ্য। রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত যেসব সরকারি কর্মী এখনও তাঁদের প্রাপ্য মহার্ঘ ভাতা পাননি, তাঁদের অর্থ প্রদান কীভাবে দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে করা যায়, সেই পথ খুঁজতেই এই উদ্যোগ।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। আদালতের নির্দেশের পর ১ এপ্রিলের আগে যেসব কর্মী বকেয়া ডিএ পাননি, তাঁদের অর্থ প্রদান নিয়ে নতুন করে পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাজ্যের অর্থ দপ্তর, স্কুল শিক্ষা দপ্তর এবং উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এই বৈঠকে মূলত আলোচনা হয় যে, কোন নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে এবং কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বকেয়া ডিএ বণ্টন করা হবে। কারণ বিভিন্ন দপ্তরে কর্মীদের হিসাব, বকেয়ার পরিমাণ এবং পেমেন্ট সিস্টেম একরকম নয়। ফলে একটি একক কাঠামো বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। সেই কারণেই স্কুল শিক্ষা দপ্তর এবং উচ্চ শিক্ষা দপ্তরকে পৃথকভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে তারা দ্রুত একটি নির্দিষ্ট SOP প্রস্তুত করে জমা দেয়।




















