‘সঞ্জয় অনেক কিছু জানে’, আরজি কর কেসে বিচারপতি মান্থার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য

কলকাতা: ২০২৪ সালের আরজি কর (RG Kar Case) ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়। ইতিমধ্যেই এই নৃশংস ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Calcutta HC Seeks Detailed Probe, Orders Questioning of Sanjay Ray

কলকাতা: ২০২৪ সালের আরজি কর (RG Kar Case) ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়। ইতিমধ্যেই এই নৃশংস ঘটনার জন্য আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। তবে মামলা এখানেই থেমে থাকছে না তদন্তে নতুন দিশা দিতে আবারও সঞ্জয় রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করার সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে আদালতে।

বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেন যে, প্রয়োজনে সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। শুধু তাই নয়, মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্য কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকেও জেরা করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই বলেও আদালত জানিয়ে দিয়েছে। এই মামলাটি প্রথমে সুপ্রিম কোর্টে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে শুরু হয়েছিল। (RG Kar Case) পরে সেটি হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করা হয়। হাইকোর্টে শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জোর দিয়ে বলেন, তদন্ত সংস্থাকে কোনও দ্বিধা না করে নিরপেক্ষভাবে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত চালিয়ে যেতে হবে। তার এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, আদালত চায় এই সংবেদনশীল মামলার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হোক এবং কোনও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেন আড়াল না থাকে।

   

সঞ্জয় রায়কে ঘিরে আবার প্রশ্ন ওঠার কারণও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। যদিও তিনি ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজাপ্রাপ্ত, তবুও তদন্তকারীদের মতে, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। আদালতের নির্দেশে সেই পথ আরও পরিষ্কার হয়ে গেল। বিচারপতি মান্থা বলেন, “যদি প্রয়োজন হয়, সিবিআই নতুন করে জেরা করতে পারবে। তদন্তের স্বার্থে কোনওরকম বাধা বা সংকোচ থাকা উচিত নয়।” এই পর্যবেক্ষণ মামলার তদন্তে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, অনেক ক্ষেত্রেই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করলে নতুন তথ্য বা সূত্র সামনে আসে, যা তদন্তকে আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google