ভাঙড়: ভাঙড়ে (Bhangar) রাজনৈতিক উত্তেজনা ফের চরমে উঠল আরাবুল ইসলামের গাড়ির মিছিলে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। শাকশহর এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে ঘিরে আইএসএফ ও তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি দ্রুত অশান্ত হয়ে ওঠে, এবং এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিংয়ে(Bhangar) নমিনেশন জমা দিয়ে নিজের এলাকায় ফিরছিলেন আরাবুল ইসলাম। তাঁর গাড়ির মিছিল শাকশহর এলাকার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই শুরু হয় ইটবৃষ্টি। অভিযোগ, মিছিল লক্ষ্য করে একের পর এক ইট ছোড়া হয়, যার ফলে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হঠাৎ এই হামলায় মিছিলে থাকা কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে শুরু করে।
এই ঘটনার পরই আইএসএফ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বচসা, যা ক্রমে সংঘর্ষের রূপ নেয়। দু’পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি, চিৎকার, এমনকি পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগও উঠেছে। রাজনৈতিক বিরোধ যে কতটা তীব্র আকার নিয়েছে, এই ঘটনা তারই প্রমাণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠতে থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভাঙড় থানার পুলিশ। পরে চন্দনেশ্বর থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে, যাতে আর কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই রাজনৈতিক পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। তৃণমূলের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাদের মিছিলে হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে আইএসএফের তরফে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে যে, উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য তৃণমূলই আগে উস্কানি দেয়। ফলে প্রকৃতপক্ষে কে এই ঘটনার জন্য দায়ী, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।




















