IAF: ভারতীয় বিমান বাহিনী তাদের আক্রমণ ক্ষমতা জোরদার করতে একটি বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে। আইএএফ প্রায় ৪০০টি অস্ত্র Astra Mk1 ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার পথে। এর ফলে বিমান বাহিনীর আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ডিআরডিও দ্বারা তৈরি এবং ভারত ডায়নামিক্স লিমিটেড (বিডিএল) দ্বারা নির্মিত হয়েছে। এটি ভারতের দেশীয় প্রতিরক্ষা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার লক্ষ্য বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমানো।
অ্যাস্ট্রা এমকে-১ কী?
অ্যাস্ট্রা এমকে-১ হলো একটি দৃষ্টিসীমার বাইরের (বিভিআর) আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, যার পাল্লা প্রায় ১১০ কিলোমিটার। এটি দূর থেকে শত্রু যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তু করতে ব্যবহৃত হয়, যা পাইলটকে যুদ্ধে বাড়তি সুবিধা দেয়।
Su-30MKI-তে ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে
এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ইতিমধ্যেই সুখোই এসইউ-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে মোতায়েন করা হয়েছে, যা ভারতীয় বিমান বাহিনীর মেরুদণ্ড। এটিকে মিগ-২৯কে এবং এইচএএল তেজস এমকে-১-এর মতো অন্যান্য বিমানের সাথেও সমন্বিত করা হচ্ছে। এর আগে, ভারতীয় বিমান বাহিনী এবং নৌবাহিনী যৌথভাবে ২০০টিরও বেশি অস্ত্র ক্ষেপণাস্ত্র অন্তর্ভুক্ত করেছে। ২০২২ সালের মে মাসে প্রায় ২,৯৭১ কোটি টাকার একটি বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা এর উৎপাদন এবং মোতায়েনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।
এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ফাঁকি দিতে পারদর্শী
অ্যাস্ট্রা ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য হলো এর উন্নত সক্রিয় রাডার সিকার, উচ্চ অফ-বোরসাইট ক্ষমতা এবং ইলেকট্রনিক প্রতিব্যবস্থার বিরুদ্ধে শ্রেষ্ঠ কার্যকারিতা। এটি শত্রুর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ফাঁকি দিয়ে আধুনিক যুদ্ধে নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
এই চুক্তিটি ভারতীয় বিমান বাহিনীকে তাদের বিভিআর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অনেকাংশে দেশীয়করণ করতে সক্ষম করবে। এর ফলে শুধু খরচই কমবে না, বরং এর আধুনিকায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণও সহজতর হবে।




















