গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সভা করে গিয়েছেন পুরুলিয়াতে। ঠিক ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ফের বিজেপির দলভারি। (Ashish Karmakar)এবার বিজেপিতে যোগ দিলেন বেগুনকোদরের প্রাক্তন শিক্ষক অশীষ কর্মকার। এই যোগদানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন শিক্ষকতার পেশায় যুক্ত থেকে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীর জীবন গড়ে তোলা এই শিক্ষাবিদ এখন সক্রিয় রাজনীতির ময়দানে পা রাখলেন। বিজেপি নেতৃত্ব এই যোগদান নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তারা বলেছেন বেগুনকোদরের মত পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে শিক্ষিত মানুষদের বিজেপিতে যোগ দেওয়া রাজনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে অনেক তাৎপর্যপূর্ণ।
বেগুনকোদর এলাকায় অশীষ কর্মকারকে সবাই ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করেন। শিক্ষক হিসেবে তিনি শুধু পড়াশোনাই করাতেন না, ছাত্রদের চরিত্র গঠন, নৈতিকতা এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ শেখাতেন। অনেক প্রাক্তন ছাত্র আজও তাঁর কথা স্মরণ করে বলেন, “স্যারের ক্লাসে শুধু বইয়ের পাতা নয়, জীবনের পাঠও শেখা যেত।” স্থানীয় মানুষের কাছে তিনি ছিলেন একজন সৎ, নির্ভীক এবং সমাজসচেতন ব্যক্তি। শিক্ষকতা থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলেন।
আরও দেখুনঃ প্রাক্তনদের অভিজ্ঞতা কি অবহেলিত? বাংলার ফুটবলে উঠছে বড় প্রশ্ন
গ্রামীণ উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার এবং যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা সকলের নজর কেড়েছে।আজ বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেওয়ার সময় অশীষ কর্মকার বলেন, “দেশ এবং সমাজের সেবা করার জন্য আমি এই পথ বেছে নিয়েছি। বিজেপির উন্নয়নমূলক চিন্তাধারা, জাতীয়তাবাদ এবং স্বচ্ছ শাসনের প্রতি আমার আস্থা রয়েছে।
পুরুলিয়ার মতো পিছিয়ে পড়া জেলায় যেখানে এখনও উন্নয়নের অনেক কাজ বাকি, সেখানে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি অবদান রাখতে চাই।” তিনি আরও জানান, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালে এলাকায় দুর্নীতি, স্বজনপোষণ এবং উন্নয়নের অভাব তাঁকে ব্যথিত করেছে। সাধারণ মানুষের কথা শোনা এবং তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য বিজেপির মতো একটি জাতীয় দলে যোগ দেওয়াই তাঁর কাছে সঠিক পথ বলে মনে হয়েছে।




















