নয়াদিল্লি: রাজধানী দিল্লির অপরাধ দমন শাখা (Illegal Arms Dealer) একটি বড় সাফল্য পেয়েছে। অন্তরাজ্য অস্ত্র সরবরাহকারী একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্তের নাম মোহাম্মদ ইসরার ওরফে কাট্টা। তিনি উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, এই ব্যক্তি দিল্লি, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের সংঘবদ্ধ অপরাধী গ্যাংগুলোকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সরবরাহ করতেন। তাঁর গ্রেফতারের জন্য দিল্লি পুলিশ ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল, আর হরিয়ানা পুলিশও ৫ হাজার টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছিল।
ক্রাইম ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা জানান, গোপন সূত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইসরারকে আটক করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অপরাধীদের কাছে দেশি-বিদেশি পিস্তল, রিভলভার ও গুলি সরবরাহ করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি এবং অস্ত্র আইনের বিভিন্ন মামলা রয়েছে। পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে, তিনি একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্কের অংশ ছিলেন, যারা বিভিন্ন রাজ্যের গ্যাংস্টারদের অস্ত্র জোগান দিত।
আরও দেখুনঃ IPL 2026: অধিনায়ক হিসেবে আইপিএলে অভিষেকেই ইতিহাস গড়লেন ঈশান কিশান
এই অস্ত্রগুলো পরবর্তীতে খুন, ছিনতাই, গুন্ডামি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধে ব্যবহৃত হত।ইসরারের গ্রেফতারকে দিল্লি পুলিশের জন্য একটি বড় অর্জন বলে মনে করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, “এই ধরনের অস্ত্র সরবরাহকারীরা সমাজের শান্তি নষ্ট করে। তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে পারলে অপরাধের অনেক শিকড় উপড়ে ফেলা সম্ভব।” তাঁর কাছ থেকে কোনো অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি, তবে তদন্ত চলছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ইসরারের সঙ্গে যোগাযোগে থাকা অন্যান্য ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাঁদেরও শিগগিরই আটক করা হতে পারে।শামলির স্থানীয় বাসিন্দারা এই খবরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। একজন স্থানীয় যুবক বলেন, “এলাকায় অনেকেই জানত যে ইসরারের কাজকর্ম সন্দেহজনক। কিন্তু কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। পুলিশের এই অভিযান এলাকার অনেককে স্বস্তি দিয়েছে।” অন্যদিকে, তাঁর পরিবারের সদস্যরা এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।



















