Home West Bengal ‘অ্যাজুডিকেশন’ মুক্ত শশী পাঁজা, এখনও কোন কোন TMC প্রার্থীর ভাগ্য ঝুলে?

‘অ্যাজুডিকেশন’ মুক্ত শশী পাঁজা, এখনও কোন কোন TMC প্রার্থীর ভাগ্য ঝুলে?

Shashi Panja election clearance

কলকাতা: ভোটের ময়দানে লড়াইয়ের পথ অবশেষে প্রশস্ত হল রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী তথা শ্যামপুকুর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শশী পাঁজার। দীর্ঘ উৎকণ্ঠার পর নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নামের পাশের ‘বিচারাধীন’ বা ‘অ্যাজুডিকেশন’ তকমাটি সরে গিয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাতে প্রকাশিত দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় এই স্বস্তির খবর মেলে।

শশী ও কাজলের মুখে হাসি

গত সোমবার প্রকাশিত প্রথম দফার তালিকায় নাম না থাকায় শশী পাঁজার প্রার্থীপদ নিয়ে প্রবল সংশয় তৈরি হয়েছিল। সমস্ত নথিপত্র সঠিকভাবে জমা দেওয়ার পরেও কেন তাঁর নাম আটকে ছিল, তা নিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে প্রবল উদ্বেগ বাড়ছিল। তবে শুক্রবার রাতের নতুন তালিকায় তাঁর পাশাপাশি বীরভূমের হাসন কেন্দ্রের ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী কাজল শেখেরও ‘বিচারাধীন’ স্টেটাস মুছে গিয়েছে। ফলে এই দুই প্রার্থীর নির্বাচনে লড়তে আর কোনও আইনি বাধা রইল না।

   

এখনও আটকে একাধিক প্রার্থীর নাম

শাসকদলের মোট ১১ জন প্রার্থীর নাম এই আইনি জটে আটকে ছিল। দু’জনের সমস্যা মিটলেও এখনও ৯ জনের ভাগ্য কার্যত ঝুলে রয়েছে।

উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মালদহের মোথাবাড়ি, মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ, লালগোলা, নওদা থেকে শুরু করে হুগলির চণ্ডীতলা ও উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার তৃণমূল প্রার্থীর নাম এখনও ছাড়পত্র পায়নি।

আটকে রয়েছেন উত্তরপাড়া বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষন্য বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই জটিলতা দ্রুত মেটাতে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে ই-মেলের মাধ্যমে আর্জি জানিয়েছেন বিদায়ী মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

প্রথম ও দ্বিতীয় দফার নির্বাচন প্রক্রিয়ায় মনোনয়ন জমার শেষ দিন যথাক্রমে ৬ এবং ৯ এপ্রিল। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জট না ছাড়লে প্রবল আইনি সংকটে পড়বেন প্রার্থীরা।

কমিশনের নতুন তালিকা

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে প্রায় ১২ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য নির্ধারণ করে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকাটি প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে সোমবারের প্রথম তালিকায় ১০ লক্ষ নাম ছিল। এখনও পর্যন্ত মোট ২২ লক্ষ ভোটারের তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এর মধ্যে প্রায় ৩৪ শতাংশ আবেদন বাতিলের খাতায় গিয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৭ লক্ষ ভোটারের নথির আইনি ফয়সালা করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তবে চূড়ান্ত তালিকায় কারা জায়গা পেলেন, তা সম্পূর্ণ স্পষ্ট হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।

Follow on Google