লখনউ: ক্যান্সারে আক্রান্ত অজয়কে বাঁচানো যায়নি। বন্ধুর মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রীকে সান্তনা দিতে আসে অজয়ের বন্ধুরা। পাশে থাকার আশ্বাস দেয় বিকাশ। এতেই মন গলে যায় সদ্য বিধবা বাবলির। পাশে থাকা বিকাশের সঙ্গে পৌঁছে যায় বিছানায়। একাকীত্ব এবং যৌনতা সবই দিয়েছিল বিকাশ। এই সুখ ধরে রাখার চেষ্টা করতেই বিপত্তি। প্রাণ গেল বাবলির। আর বিকাশের ঠাঁই হল শ্রীঘরে।
ঘটনার সূত্রপাতদিন কয়েক আগে। উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) বুলান্দশহরে এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। গলাকাটা দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পরিজনরা হাতের দাগ দেখে বাবলিকে শনাক্ত করেন। তারপর শুরু হয় তদন্ত। উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অজয়ের মৃত্যুর পর বিকাশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় বাবলির। একসঙ্গে থাকতে শুরু করে তারা। সব ঠিকই চলছিল তাল কাটে বিকাশের পরিবার তার বিয়ে ঠিক করলে। গত ডিসেম্বরে বিকাশের বিয়ে ঠিক হয়। ততদিনে বাবলি যেন পুরনো হয়ে গিয়েছে তার কাছে। নতুন সঙ্গী পেতে বিয়ের পিড়িতে বসার পরিকল্পনা করে ফেলে বিকাশ। এদিকে বিকাশকে ছাড়তে রাজি ছিল না বাবলি। স্বামীহারা বাবলির কাছে অন্য অপশনও ছিল না। তাই বিকাশকে চাপ দিতে থাকে তাঁকে বিয়ে করার জন্য।
একদিকে নতুন সঙ্গীকে পাওয়ার সুযোগ। অন্যদিকে বাবলিকে বিয়ে করলে সামাজিক সম্মানহানির ভয়। এই দোলাচলে বাবলিকে সরিয়ে দেওয়ার ছক কষে বিকাশ। বাবলিকে গলা কেটে খুন করে। তারপর দেহ থেকে ৫০০ মিচার দূরে কাচা মুন্ডু লুকিয়ে ফেলে। বাবলির দেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নেমে বিকাশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দাবি, বাবলির খুনে বিকাশের সঙ্গে আরও দু’জন ছিল। তাদের একজন আমনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অপরজবের খোঁজ চলছে।



















