সোহিনী পোড়েল, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল (T20 World Cup Final)। আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ঘড়ির কাঁটায় ৭টা বাজতেই বাইশ গজে বল গড়াতে শুরু করল। আমেহাবাদে তাণ্ডব চালালেন সঞ্জু। কিউইদের জয়ের জন্য দরকার ২৫৬ রান। ভারতকে বিশ্ব জয় করতে হলে তাড়াতাড়ি কিউইদের সাজঘরে ফেরাতে হবে।
টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কিউই বোলারদের ঠ্যাঙাতে শুরু করলেন দুই ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। বিশ্বকাপের প্রায় প্রতি ম্যাচে যে ছেলেটা বার বার ব্যাট হাতে ব্যর্থ হচ্ছিল, যাকে নিয়ে চলছিল চুলচেরা বিশ্লেষণ, মেগা ফাইনালে সেই বছর ২৫-এর যুবক ব্যাট চালাতে শুরু করলেন। টিম ম্যানেজমেন্ট যে তাঁর ওপর ভরসা করে কোনও ভুল করেনি, তা প্রমাণ করে দিলেন অভিষেক শর্মা। অর্ধশতরান করেন তিনি। কিন্তু ৭.১ ওভারে রাচিন রবীন্দ্রর বলে সাজঘরে ফিরলেন অভিষেক। স্কোরবোর্ডে ৫২(২১) রান যোগ করেন। বলটা ছেড়ে দিলে ওয়াইড হতো। তবে বাইরের বল খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে টিম শেইফার্টের হাতে জমা পড়ে।
আরেক ওপেনার সঞ্জু স্যামসন তখনও ক্রিজে ঝাঁকিয়ে বসে আছেন। তাঁকে সঙ্গ দিতে এলেন আরেক তরুণ তুর্কি ঈশান কিষাণ। তাঁরা দু জনে মিলে তাণ্ডব চালালেন। ১৫ ওভারে ২০০-র গণ্ডি পেরিয়ে যায় ভারত। এখানেই আসে কাহিনী মে টুইস্ট। এক ওভারে জেমস নিশাম গিলে খেলেন সঞ্জু স্যামসন (৮৯) রান, ঈশান কিষাণ (৫৪) ও সূর্যকুমার যাদব (০)-কে। অধিনায়ক হয়ে রানের খাতা খুলতেই ব্যর্থ সূর্য। হার্দিক পান্ডিয়া এলেন। কিছুটা লড়াই করলেন। ম্যাট হেনরির বলে লং-অফের উপরে বড় শট মারতে গিয়ে ক্যাচ আউট হন হার্দিক। সহজ ক্যাচ অনায়াসে ধরেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। ১৩ বলে ১৮ রান তোলেন হার্দিক।
শেষে তিলক বর্মা ও শিবম দুবে বাকি কাজটা করে দেন। স্কোরবোর্ড যখন প্রায় অচল হয়ে গিয়েছিল তখন ম্যাচের হাল ধরেন দুবে। ৮ বলে ২৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে গেলেন তিনি। তিলক তুললেন ৮(৬) রান। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ম্যাট হেনরি ও রাচিন রবীন্দ্র ১ টি, জেমস নিশাম ৩ টি করে উইকেট নেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৫৫ রান তোলে টিম ইন্ডিয়া।




















