জাপান। ২০১১ সালে বিশ্বকাপ জয়ী দল। ভারত। বিশ্বকাপ জয় তো দূরের কথা খেলার সুযোগই পায়নি। দুই দলের মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক। এক দল উত্তরমেরুর হলে আরেক দল দক্ষিণ মেরুর। তবুও হাজারও স্বপ্ন চোখে নিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপে (AFC Asian Cup) জাপানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল ভারতের মেয়েরা। আশঙ্কাই সত্যি হল। উদীয়মান সূর্যের দেশের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করলেন ব্লু টাইগ্রেসরা। ১১-০ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপে যাওয়ার পথ প্রায় বন্ধ ভারতের।
এএফসি এশিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে চাইনিস তাইপেইয়ের বিরুদ্ধে অনবদ্য জয় পেয়েছিল জাপান। ২-০ ব্যবধানে চাইনিস তাইপেইকে হারিয়েছিল তাঁরা। ভারতের বিরুদ্ধে নামার আগে দলে যে একাধিক বদল আনা হবে তা আগেই জানিয়েছিলেন জাপানের কোচ। দলে একাধিক বদলের পর ব্লু টাইগ্রেসদের বিরুদ্ধে খেলতে নামে জাপান। কিন্তু কেউ ভাবেনি ১১ গোলের মালা পড়ে মাঠ ছাড়তে হবে ভারতের মেয়েদের। অ্যামেলিয়া ভালভার্দের দলের কাছে লজ্জাজনক হার ব্লু টাইগ্রেসদের।
ম্যাচের প্রথম থেকেই দাপট ছিল অ্যামেলিয়া ভালভার্দের দলের। ভারত আক্রমণে যাওয়ার আগেই ব্লু টাইগ্রেসদের উপড়ে এসে পড়ে জাপানি সুনামি। ব্যাস তাতেই টলমল অবস্থা ভারতের রক্ষণভাগের। ৪ মিনিটের মাথায় ইউজুকির গোলে এগিয়ে যায় জাপান। সেই থেকে শুরু হল জাপানি সুনামি। ১৩ মিনিটে গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন হাসেগাওয়া। ২০ এবং ৩৫ মিনিট নাগাদ ২ টি গোল করেন হিনাটা মিয়াজাওয়া। ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জাপান। প্রত্যাঘাত করার কোনও সুযোগই পায়নি ভারত।
প্রথমার্ধ শেষের একটু আগে পেনাল্টি থেকে সেইকে গোল করেন। প্রথমার্ধ শেষে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে জাপান। দ্বিতীয়ার্ধে ৪৭, ৫০, ৬৫ মিনিটে উইকি, ৫৬ মিনিটে সেইকি, ৬২ মিনিটে হিজকাটা, ৮১ মিনিটে হিনাটা গোল করেন। ১ টি করে গোল হচ্ছে আর ভারতের বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন কমে আসেছে। গোলের খাতা খোলা তো দূরের কথা আক্রমণে যেতে গিয়েও নড়বড়ে হাল ভারতের। স্কোরলাইন ১১-০।




















