কেশপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া (Shiuli Saha)এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহা। সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনকে ভারতীয় জনতা পার্টির ‘বি-টিম’ বলে কটাক্ষ করেন।
রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভিন রাজ্যের আধিকারিকদের নিয়োগ করা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে শিউলি সাহা বলেন, “ভারতীয় নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন বর্তমানে বিজেপির বি-টিম হিসেবে কাজ করছে।
সিঁদুরের পর ফায়ার পাওয়ার ইনডেক্সে অবাক করা জায়গায় পাকিস্তান
তারা অন্য রাজ্য কেন, অন্য দেশ থেকেও লোক নিয়ে আসুক, তাতে কিছু যায় আসে না। বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই থাকবে।” কেশপুরে একদিনে একটি বুথে ৫০০-র বেশি মানুষকে শুনানির (Hearing) জন্য ডাকা নিয়ে তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি অভিযোগ করেন। ভোররাত থেকে সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে ডাকার মতো পরিকাঠামো বা কর্মী ব্লক অফিসে নেই।
মন্ত্রী আরও জানান, সাত ভাইবোন হওয়ার কারণে বা নামের সামান্য পরিবর্তনের (যেমন ‘কুমারী’ শব্দ বাদ যাওয়া) জন্য মানুষকে তলব করা হচ্ছে। কমিশনের ব্যবহৃত অ্যাপে যান্ত্রিক ত্রুটি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি উদাহরণ দেন যে, শশী পাঁজা বা দেবাংশু ভট্টাচার্যের মতো নেতাদেরও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। তৃণমূল নেত্রীর দাবি, এই শুনানি ব্লক অফিসের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট অঞ্চল বা পঞ্চায়েত স্তরে করা উচিত ছিল।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বিএলও-দের (BLO) মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করলে সাধারণ মানুষকে এই চরম ভোগান্তির শিকার হতে হতো না। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার চেষ্টা বা ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। মানুষ তৃণমূলকেই জেতাবে।”




















