উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিট সোমবার সকালে পূর্ণতাই রাজনৈতিক আবহে ভরে ওঠে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবস উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত হন। সকাল থেকেই এলাকার চারপাশে চোখে পড়ার মতো পোস্টার লাগানো শুরু হয়।(Sukanta Majumdar Hits Abhishek Banerjee)
পোস্টারে স্থান পায় রাজ্যের শাসক দলের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখচিত্র, যেখানে তাঁকে ‘যুবরাজ’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এই পোস্টার বিতর্কের কারণে সোমবার সকাল থেকেই সিমলা স্ট্রিটে রাজনৈতিক উত্তাপ লক্ষ্য করা যায়। তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তথা ‘সেনাপতি’কে রাজপরিবারের অংশ বলে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী (Sukanta Majumdar Hits Abhishek Banerjee)সুকান্ত বলেন, ‘যুবরাজ আসবেন, তিনি বাংলার রাজপরিবারের অংশ। আমাদের তাতে কী করার রয়েছে? আমরা প্রজা। (Sukanta Majumdar Hits Abhishek Banerjee)আমি তো তাই আগে গিয়ে মালাটা দিলাম।বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা সমাবেশ ও নানান আলোচনা নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। তবে পোস্টার ও রাজনৈতিক বক্তব্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের নারী ও শিশু সুরক্ষা মন্ত্রী শশী পাঁজা। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতেই তাঁকে ‘যুবরাজ’ পোস্টার বিতর্ক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।
শশী পাঁজা সাংবাদিকদের জানান, তিনি এই বিতর্কে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর বক্তব্য, “এখানে বিজেপির এই সব প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।” (Sukanta Majumdar Hits Abhishek Banerjee)মন্ত্রী আরও বলেন, জন্মদিবসের দিনটি একাধিক মানুষকে স্বামীজির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার সুযোগ দেওয়ার দিন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বা পোস্টার বিতর্ক এখানে প্রধান বিষয় হতে পারে না। তাঁর মতে, এই দিনটি একমাত্র সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধে উদযাপনের জন্য উচিৎ। রাজ্যের মন্ত্রী সুকান্ত কটাক্ষকেও ‘গুরুত্বহীন’ এবং ‘ঔদ্ধত্যের প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। শশী পাঁজা জানান, এ ধরনের মন্তব্য মূলত রাজনৈতিক রণনীতির অংশ, যা জন্মদিবস উদযাপনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখে না। তাঁর মতে, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিবস একটি আধ্যাত্মিক ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান, যা রাজনৈতিক চাপে বা বিতর্কে আবদ্ধ হওয়ার জায়গা নয়।
সিমলা স্ট্রিটের উপস্থিতি থেকেই বোঝা যায়, জন্মদিবস উদযাপনে রাজনৈতিক নেতৃত্ব কতটা সক্রিয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন নেতার সমর্থক ও সাধারণ মানুষ সমাবেশে যোগ দেন। পোস্টার বিতর্ককে কেন্দ্র করে যদিও রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছে, তবে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন।




















