প্রতীক জৈনের বাড়িতে ED-র বড় পদক্ষেপ, প্রতিবেশীদের তলব কেন?

কলকাতার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বায়ুমণ্ডলে একের পর এক উত্তাপ তৈরি করছে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) এর অভিযান। আই-প্যাকের (I-PAC) (IPAC-Pratik Jain ED Raid) ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
ED Raids Pratik Jain’s House; Neighbors Asked to Provide Statements

কলকাতার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বায়ুমণ্ডলে একের পর এক উত্তাপ তৈরি করছে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) এর অভিযান। আই-প্যাকের (I-PAC) (IPAC-Pratik Jain ED Raid) ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের বাড়িতে ৮ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে শুরু হয় ইডি’র তল্লাশি। ঘটনাটি শুধু তদন্তের বিষয় নয়, বরং তা রাজনীতিতেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।(IPAC-Pratik Jain ED Raid) 

ইডি অভিযান (IPAC-Pratik Jain ED Raid) শুরু হওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিছুক্ষণ পর তিনি বেরিয়ে আসেন একটি সবুজ ফাইল হাতে নিয়ে। সেই সবুজ ফাইলকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে তুমুল গুঞ্জন শুরু হয়।

   

একদিকে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি(IPAC-Pratik Jain ED Raid) অভিযোগ দায়ের করেছে যে, প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন কিছু প্রমাণ লোপাট বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। অপরদিকে, রাজ্য সরকারও সংশ্লিষ্ট কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছে। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে সিবিআই তদন্তের আবেদন করা হয়েছে। এই পুরো ঘটনায় রাজনৈতিক চাপান-উতোর তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এই অভিযানকে কেন্দ্র করে পুলিশও সরাসরি তদন্তে নেমেছে। লাউডন স্ট্রিটের প্রতীক জৈনের আবাসনের বাসিন্দাদের এবং আশেপাশের প্রতিবেশীদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। (IPAC-Pratik Jain ED Raid) পুলিশ জানতে চায়, ইডি তল্লাশি চলাকালীন বাসিন্দারা কী শুনেছেন, অফিসারদের কার্যক্রম কেমন ছিল এবং তল্লাশি শুরু হওয়ার পর কী ঘটেছে। প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও পুরো ঘটনার বিবরণ সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। তল্লাশি চলাকালীন ইডি অফিসাররা কী কী নথি খুঁজেছেন, কোন কক্ষ বা অফিসে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন, সেই বিষয়েও পুলিশ অনুসন্ধান করছে। তল্লাশি চলাকালীন অনেক বাসিন্দাই বাইরে অবস্থান করছিলেন। পুলিশ চাইছে, তারা যা দেখেছেন বা শুনেছেন, তা লিখিত বা মৌখিকভাবে জানাবেন। এই তথ্য ইডি বা অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকে আরও তীক্ষ্ণ করতে পারে।

 

 

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google