হিন্দুদের ঐক্য জরুরি, রাজনৈতিক টিকিট নয়, বার্তা মোহন ভাগবতের

সঙ্ঘ কখনো কোনো রাজনৈতিক দল বা টিকিটের পিছনে কাজ করে না। সমাজের পাশে সর্বদা থাকবে, এটাই হলো সঙ্ঘের মূল দর্শন। সমাজের কল্যাণ, মানুষের উন্নতি এবং দেশভক্তি—এই তিনটি মূল ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Mohan Bhagwat Urges Hindu Unity, Stresses It's Not About Political Gains

সঙ্ঘ কখনো কোনো রাজনৈতিক দল বা টিকিটের পিছনে কাজ করে না। সমাজের পাশে সর্বদা থাকবে, এটাই হলো সঙ্ঘের মূল দর্শন। সমাজের কল্যাণ, মানুষের উন্নতি এবং দেশভক্তি—এই তিনটি মূল নীতির ভিত্তিতে সঙ্ঘ সবসময় কাজ করে। মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat) বার্তা স্পষ্ট: সমাজের জন্য কাজ করুন, নিজের স্বার্থ বা রাজনৈতিক লাভের চিন্তা বাদ দিন। সমাজের উন্নয়ন তখনই সম্ভব যখন আমরা নিঃস্বার্থভাবে নিজেদের সময়, শক্তি এবং সম্পদ মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করি।

সঙ্ঘের কাজ মানে হলো ‘নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা’। এতে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থ নেই, কোনো নির্বাচনী টিকিট পাওয়ার উদ্দেশ্য নেই। যদি আমরা সমাজের উন্নয়নকে লক্ষ্য করি, তবে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো মানুষের সঙ্গে মিলে মিশে কাজ করা, সংঘর্ষ বা বিবাদ না বাড়ানো। সমাজে একতা থাকলে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব, একতার মাধ্যমে আমরা মানুষের জীবনমান উন্নত করতে পারি, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে পারি।

   

দেশের উন্নয়নে প্রত্যেক নাগরিকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিজের ছোট বা বড় কাজের মাধ্যমে সমাজের জন্য কিছু করার চেষ্টা আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য।

ভারত একটি বৈচিত্র্যময় দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও রীতিনীতি রয়েছে। এই বৈচিত্র্যের মধ্যে একতার পথ খুঁজে বের করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মোহন ভাগবত বলেন, “বৈচিত্র্যময় দেশ হলেও রাস্তা একটাই—সব মানুষকে সম্মান করা, মিলেমিশে থাকা এবং নিজের কাজে অবিচল থাকা।” সমাজে যদি আমরা সকলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করি, সহযোগিতার মনোভাব গ্রহণ করি এবং ব্যক্তিগত স্বার্থকে আলাদা রাখি, তাহলে সমাজের মধ্যে সত্যিকারের পরিবর্তন সম্ভব।

সঙ্ঘের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষকে নৈতিকভাবে, সাংস্কৃতিকভাবে এবং সামাজিকভাবে শক্তিশালী করা। এটি রাজনৈতিক বা দলীয় কাজে লিপ্ত নয়। ভালো কাজের জন্য, সমাজের জন্য সঙ্ঘ সবসময় পাশে থাকে। সঙ্ঘ কখনো বিচার করে না কোন রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি কতটা সক্রিয়। শুধু লক্ষ্য হলো সমাজের কল্যাণ, মানুষের উন্নতি এবং দেশের মঙ্গল। এই নিঃস্বার্থ কাজের মাধ্যমে সমাজে একতা প্রতিষ্ঠা পায়, এবং একতার মাধ্যমে দেশও শক্তিশালী হয়।

সাধারণ মানুষকে বোঝানো হয় যে, নিজের কাজের প্রতি অবিচল থাকুন, স্বার্থপর হবেন না এবং অন্যের প্রতি সম্মান দেখান। সংঘর্ষ বা বিভাজনের পথে না গিয়ে মিলেমিশে থাকা শিক্ষাও সঙ্ঘের একটি মূল নীতি। এই মূলনীতি মেনে চললে সমাজে শান্তি, সমতা এবং উন্নয়ন প্রতিষ্ঠিত হয়। মোহন ভাগবত বারবার বলেন, “এটাই ভারতবর্ষ।” অর্থাৎ বৈচিত্র্যময় হলেও আমরা একে অপরকে সম্মান করি, একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে থাকি এবং সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখি।

 

ভিডিও নিউজ দেখুন

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google