রাতভর বিক্ষোভ! সকাল থেকে সংসদ ভবনে অবস্থানে জুলাই শহিদ পরিবার ও আহতরা

ঢাকা: রাতভর বিক্ষোভের পর শুক্রবার সকালেও উত্তপ্ত বাংলাদেশের সংসদ ভবন চত্বর৷ নিরাপত্তাবলয় পেরিয়ে দক্ষিণ প্লাজায় বিক্ষোভ করে একদল মানুষ৷ বিক্ষোভকারীরা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা বলে পরিচয় দেয়৷  দক্ষিণ প্লাজায় ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
Bangladesh Parliament Protest

ঢাকা: রাতভর বিক্ষোভের পর শুক্রবার সকালেও উত্তপ্ত বাংলাদেশের সংসদ ভবন চত্বর৷ নিরাপত্তাবলয় পেরিয়ে দক্ষিণ প্লাজায় বিক্ষোভ করে একদল মানুষ৷ বিক্ষোভকারীরা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা বলে পরিচয় দেয়৷ 

দক্ষিণ প্লাজায় অবস্থান বিক্ষোভ

 শুক্রবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ফের অনন্য দৃশ্যের সাক্ষী হল। ‘জুলাই শহিদ পরিবার ও আহত’ ব্যক্তিরা স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মঞ্চের সামনে অতিথিদের চেয়ার দখল করে  অবস্থানে বসে৷ নিজেদের দাবিতে অনড় তারা। পুলিশ মঞ্চের মাঝামাঝি অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও, বিক্ষোভকারীরা স্থির অবস্থান বজায় রেখেছেন। বিকেল চারটেয় অনুষ্ঠানের সূচি থাকলেও, তাদের উপস্থিতি রীতিমতো চাপ তৈরি করেছে।

   

বৃহস্পতিবার রাতেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভ শুরু করে শহিদ পরিবার ও আহত ব্যক্তিরা। আজ সকালে তাঁরা সংসদ ভবনের প্রবেশদ্বার পার হয়ে দক্ষিণ প্লাজায় মঞ্চের সামনে গিয়ে বসে পড়েন৷ যেখানে অতিথিদের জন্য চেয়ারগুলো সাজানো ছিল। পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও, তাঁদের হঠানো যায়নি৷ উল্টে বিক্ষোভকারীরা চেয়ারে বসে অবস্থান শুরু করে।

‘জুলাই শহিদ পরিবার ও আহত’দের মূল দাবি দুইটি: Bangladesh Parliament Protest

  • শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের মৌলিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করা।
  • শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য সুরক্ষা ও দায়মুক্তি আইন প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন। তারা চায়, এই বিষয়গুলো জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত হোক।

    অবস্থানে অনড়

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সরবেন না বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রতিনিধিরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন, এবং আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আজকের এই দৃশ্য শুধু একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানেরই অংশ নয়; এটি দাবি আদায়ের দৃঢ় মনোভাবের প্রকাশ। মঞ্চে সাজানো চেয়ারগুলো যেন বিক্ষোভকারীদের অনন্য স্থল, যেখানে তারা তাদের দাবি তুলে ধরছেন, শান্ত, কিন্তু দৃঢ় প্রতিজ্ঞার সঙ্গে।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।

Follow on Google