শুধুমাত্র মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট নয়। এএফসির অন্যতম সেরা টুর্নামেন্টে এবার খেলতে নামবে এফসি গোয়া (FC Goa )। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বুধবার সন্ধ্যায় জওহরলাল নেহরু ফতোরদা স্টেডিয়ামে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টায়ার টুয়ের প্রিলিমিনারী রাউন্ডের ম্যাচ খেলতে নেমেছিল মানোলো মার্কুয়েজের ছেলেরা। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল ওমানের শক্তিশালী ফুটবল ক্লাব আল সীব। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ২-১ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিল আইএসএলের এই শক্তিশালী ফুটবল দলটি। এদিন দলের হয়ে গোল করেন যথাক্রমে দেজান ড্রাজিচ এবং জাভিয়ের সিভেরিও টোরো।
যারফলে এই নতুন সিজনে প্রথম ডিভিশন ফুটবল টুর্নামেন্টের পাশাপাশি এশিয়ার বৃহৎ মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার সুযোগ থাকছে বোরহা হেরেরাদের। উল্লেখ্য, গত সিজনের শেষে শক্তিশালী জামশেদপুর এফসিকে পরাজিত করে কলিঙ্গ সুপার কাপ জয় করেছিল গোয়া শিবির। সেই সুবাদেই এএফসির এমন গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টের প্রিলিমিনারী রাউন্ডের ম্যাচ খেলার ছাড়পত্র সংগ্রহ করে ফেলেছিল ভারতের এই ফুটবল ক্লাব। সেই জয়ের ধারা বজায় রাখাই অন্যতম লক্ষ্য ছিল মানোলোর ছেলেদের। সেইমতো ট্রান্সফার উইন্ডোকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক শক্তিশালী ফুটবলারদের চূড়ান্ত করেছিল ম্যানেজমেন্ট।
তাঁদের সকলকে নিয়েই এদিন ম্যাচ খেলতে নেমেছিল গতবারের সুপার কাপ জয়ীরা। যেখানে প্রথম থেকেই দেখা গিয়েছিল ভারতের এই ফুটবল ক্লাবের দাপট। যারফলে গোলের মুখ খুলতে খুব একটা অসুবিধা হয়নি। ম্যাচের প্রথমার্ধের দ্বিতীয় কোয়ার্টারের মাঝামাঝি সময় বল নিয়ে প্রতিপক্ষের ডি বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন দেজান। গোলরক্ষক সহ প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে অনায়াসেই বোকা বানিয়ে বলটিকে গোলের উদ্দেশ্যে ঠেলে দিয়েছিলেন এই সার্বিয়ান ফুটবলার। যার কোনও জবাব ছিল না আল সীবের ফুটবলারদের কাছে। যারফলে অনায়াসেই এগিয়ে যায় দল। প্রথমার্ধের শেষে সেই একটি গোলেই এগিয়ে গিয়েছিল এফসি গোয়া।
তারপর দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় ৫২ মিনিটের মাথায় সতীর্থ ফুটবলারের বাড়ানো ক্রস থেকে হেড করে বল গোলের উদ্দেশ্যে ঠেলে দিয়ে যান স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড জাভিয়ের সিভেরিও টোরো। তবে প্রতি আক্রমণ করতে ছাড়েনি আল সীব দল। ঘন ঘন আক্রমণের ফলে অতি সহজেই ব্যবধান কমিয়ে দিয়েছিলেন সেই দলের তারকা ফুটবলার নাসের। কিন্তু তারপর গোয়ার জমাট বাঁধানো রক্ষণ ভেঙে আর সমতায় ফেরা সম্ভব হয়নি তাঁদের পক্ষে।




















