Leclerc Tank: রাফায়েলের পর এবার ফ্রান্স থেকে আসবে ট্যাঙ্ক! খরচ হবে প্রায় ৫০০ কোটি

ফ্রান্স থেকে এসেছে অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান। এবার আসবে ট্যাঙ্ক! কথাবার্তা চূড়ান্ত না হলেও সম্প্রতি তৈরি হয়েছে এমন সম্ভাবনা। ভারতে এখনো ব্যবহার করা হয় সোভিয়েত আমলের টি-৭২ ট্যাঙ্ক। সেগুলোকেই ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ফ্রান্স থেকে এসেছে অত্যাধুনিক যুদ্ধ বিমান। এবার আসবে ট্যাঙ্ক! কথাবার্তা চূড়ান্ত না হলেও সম্প্রতি তৈরি হয়েছে এমন সম্ভাবনা।

ভারতে এখনো ব্যবহার করা হয় সোভিয়েত আমলের টি-৭২ ট্যাঙ্ক। সেগুলোকেই বদল করতে উদ্যত হয়েছে কেন্দ্র সরকার। সেই মতো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে বার্তা। প্রোজেক্টের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফিউচার রেডি কম্ব্যাট ভেহিক্যালস’ (FRCV)। উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে ভারত সরকারকে খরচ করতে হতে পারে ৫ বিলিয়ন মার্কিন মুদ্রা। যা ভারতীয় অর্থে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চাইছে ফ্রান্স। যুদ্ধ বিমানের পর ভারতকে তারা বিক্রি করতে চাইছে ট্যাঙ্ক।

   

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, যৌথভাবে ট্যাংক তৈরি করার ভাবনা রয়েছে ভারত সরকারের। ফ্রান্সের নিম্নতর পার্লামেন্টেও এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত শোনা যাচ্ছে ‘লেকরাক মেইন ব্যাটল’ ট্যাঙ্কের (Leclerc Main Battle Tank) ব্যাপারে প্রস্তাব পাঠানো হবে দিল্লিতে। ফরাসি সরকারের কাছে আর্জি রেখেছে ‘নেক্সটার’ নামক সংস্থা। ফ্রান্সের রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে ইতিমধ্যে।

ফরাসি সেনার হাতে লেকরাক মেইন ব্যাটল ট্যাঙ্ক এসেছিল ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ৪০৬ টি ট্যাঙ্ক ছিল তখন। পরবর্তীকালে সংযুক্ত আরব আমীরশাহি এবং জর্ডনেও এই যুদ্ধাস্ত্র পাঠানো হয়েছিল। স্থল থেকে আকাশ পথে আক্রমণ শানাতে পারদর্শী এই যান। ভারতের সঙ্গে ফ্রান্সের আলোচনা এবং চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরেই শুরু হবে কাজ। সেক্ষেত্রে ২০৩০-এর আগে আধুনিক লেকরাক ট্যাঙ্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম। ভারত সরকার চাইছে ১ হাজার ৭৭০ টি নতুন ট্যাঙ্ক সামরিকবাহিনীতে যুক্ত করতে। তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়েছে রাশিয়া, ইসরায়েল, ফ্রান্স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তুর্কি-সহ ইউরোপের ১২ টি কোম্পানিকে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google