দিল্লি সহ বেশ কিছু রাজ্যে তীব্র জলসংকট দেখা দিয়েছে। যদিও এরই মাঝে দিল্লিতে যে জলসংকট দেখা দিয়েছে তার বিরুদ্ধে ‘সত্যাগ্রহ’-এর ডাক দিয়েছেন মন্ত্রী আতিশি। আমরণ অনশন (Hunger Strike) দিল্লির মন্ত্রীর প্রতিবাদকে তীব্র তুলোধোনা করলেন দিল্লির বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্রা সচদেব।
তিনি বলেন, “এটি কেজরিওয়াল সরকারের একটি নতুন ‘সত্যাগ্রহ’, যেখানে আপনি ৪ ঘন্টা প্রতিবাদ করার পরে ১৮ ঘন্টা এসি রুমে থাকতে দেখবেন মন্ত্রীকে। জল চুরি, ট্যাঙ্কার মাফিয়া, কালোবাজারির ব্যাপার থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য কেজরিওয়াল সরকারের এটা একটা রাজনৈতিক নাটক মাত্র।”
উল্লেখ্য, দিল্লির জলমন্ত্রী অতিশী হরিয়ানা থেকে প্রতিদিন ১০০ মিলিয়ন গ্যালন জলের দাবিতে ২১ জুন থেকে আমরণ অনশন শুরু করছেন। ধর্মঘট শুরুর আগে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানান তাঁরা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের স্ত্রী সুনীতা, আম আদমি পার্টির সাংসদ সঞ্জয় সিং এবং সৌরভ ভরদ্বাজ। দক্ষিণ দিল্লির ভোগলে অনশনে বসেছেন অতিশী। তাদের অভিযোগ, সব রকম চেষ্টা সত্ত্বেও হরিয়ানা সরকার দিল্লিকে পুরো জল দিচ্ছে না।
ধর্মঘট চলাকালীন সঞ্জয় সিং বলেন, ‘এই প্রচণ্ড গরমে আমরা ছাদে পশু-পাখিদের জন্য জল রাখি। পানীয় জলের জন্য মানুষকে দৌঁড়াতে হচ্ছে , কিন্তু বিজেপির লোকেরা এতটাই নিষ্ঠুর যে তারা দিল্লির মানুষকে প্রতিটি ফোঁটা জলের জন্য তৃষ্ণার্ত করে তুলছে।’
অতিশী এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘বাপু দেশের জন্য, সাধারণ মানুষের অধিকারের জন্য সত্যাগ্রহের পথ বেছে নিয়েছিলেন। তাঁর দেখানো পথে আমি দিল্লিবাসীর জন্য অনশনে বসেছি।’ অনশনে বসার পর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের স্ত্রী সুনীতা বলেন, ‘দিল্লির মন্ত্রী অতিশী অনির্দিষ্টকালের জন্য সত্যাগ্রহ করতে চলেছেন হরিয়ানা সরকারের কাছে আবেদন জানাতে। সে কিছুই খাবে না, শুধু পানি খাবে। দিল্লির তৃষ্ণার্ত মানুষের জন্য তিনি এটা করছেন। মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন যে টিভিতে দিল্লির মানুষের দুর্দশা দেখে তিনি খুব দুঃখিত। তিনি আশা করেন, অতিশির তপস্যা সফল হবে এবং মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবেন।’




















