কোমরে পিস্তল গুঁজে স্কুলে হাজির দুই পড়ুয়া! তারপর যা ঘটল…

স্কুলে বোমাবাজি, গুলির চলার ঘটনা এর আগে দেখেছে বাংলা। তা বলে স্কুলে বন্দুক নিয়ে দাপাদাপি (Murshidabad)! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এই ঘটনা সত্যি। মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের আন্দুলবেড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

স্কুলে বোমাবাজি, গুলির চলার ঘটনা এর আগে দেখেছে বাংলা। তা বলে স্কুলে বন্দুক নিয়ে দাপাদাপি (Murshidabad)! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এই ঘটনা সত্যি। মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের আন্দুলবেড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির দুই ছাত্রের হাতে বন্দুক দেখেছে বলে দাবি করেছে সহপাঠীরা। সেই ছবি ভাইরালও হয়েছে।

পুলিশ ওই দুই পড়ুয়াকে আটক করেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্দুক বের করে ক্লাসের অন্য পড়ুয়াদের ভয় দেখাচ্ছিল ওই দুই ছাত্র। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। খবর দেওয়া হয় থানায়। রেজিনগর থানার পুলিশ এসে ওই দু’জনকে আটক করে। তাদের বাড়িতে খবর দেওয়া হয়।

   

খবর পেয়ে তড়িঘড়ি স্কুলে পৌঁছন এক ছাত্রের বাবা। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গির আলম বলেন, ছেলেমেয়েরাই খবর দেয় ওদের কাছে বন্দুক রয়েছে। দ্রুত পুলিশকে গোটা ঘটনার কথা জানিয়েছি। রেজিনগর থানার পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে। বন্দুক কোথা থেকে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

শনি থেকেই বৃষ্টি, বঙ্গে বর্ষা কবে? মনজুড়ানো পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ওই দুই পড়ুয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, পরিবারের কোনও সদস্যের কাছ থেকে বন্দুকটি নিয়ে এসেছিল তারা। কিন্তু কী কারণে তারা বন্দুক নিয়ে এসেছিল, তা স্পষ্ট নয়।

এদিকে স্কুলের গেটম্যান দাবি করেছেন, তাঁকে গুলি করার জন্যই আগ্নেয়াস্ত্র আনা হয়েছিল। তাঁর কথায়, সাইকেলের সিট খুলে যাওয়ায় আমি কয়েকজন ছাত্রকে বকাঝকা করেছিলাম। তার বদলা নিতেই ওরা স্কুলে বন্দুক এনেছিল। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকরা ওই ছাত্রের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিয়ে পুলিশের খবর দেন।

শ্মশানঘাটে মায়ের মরদেহের সামনে মালাবদল করে বিয়ে সারলেন মেয়ে

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google