টানাপোড়েনের অবসান। বুধবার সন্ধ্যায় মোদীকে তৃতীয়বার সরকার গঠনের জন্য লিখিতভাবে সমর্থন জানিয়েছে নীতীশ কুমার ও এবং চন্দ্রবাবু নাইডু। বিজেপি সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
এরপর আর দেরি করতে রাজি নয় বিজেপি। তৃতীয়বার সরকার গঠনের দাবি জানাতে বুধবারই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে যেতে পারেন নরেন্দ্র মোদী। সঙ্গে থাকতে পারেন ‘কিং-মেকার’ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এবং অন্ধ্রপ্রদেশের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু। বিকেলে এনডিএ-র শরিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই বৈঠকেই মোদীকে এনডিএ-র নেতা নির্বাচন করা হয়েছে।
প্রায় দেড় ডজন মোদীর মন্ত্রী দুর্মুশ, স্মৃতি-নিশীথ-সুভাষদের মত পরিণতি আর কাদের?
লোকসভা ভোটে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে এখন সরকার গঠনে এনডিএ শরিকদের উপরেই নির্ভর করতে হবে মোদী, অমিত শাহদের। এই প্রেক্ষাপটে বুধবার এনডিএ শরিকদের বৈঠক হয়। এনডিএ-র একটি সূত্রে খবর, সরকার গঠনে নীতীশ এবং চন্দ্রবাবু দু’জনেই লিখিত ভাবে সমর্থন দিয়েছেন বিজেপিকে। রাষ্ট্রপতির কাছে মোদীর সঙ্গে তাঁরাও যেতে পারেন। সূত্রটির দাবি, এনডিএ বৈঠকে সরকার গঠন নিয়ে মোদীকে নীতীশ বলেছেন, ‘তাড়াতাড়ি করুন। সরকার গঠনে দেরি করবেন না।’ এরপর আর বসে থাকতে রাজি হননি মোদী। এমনকী শপথের অনুষ্ঠান রবিবারের বদলে একদিন আগে শনিবারই স্থির করা হয়েছে।
চিনুন এবারের লোকসভায় দেশের সর্বকনিষ্ঠ সাংসদের একজনকে
জোট সরকারের দুই মূল শরিক টিডিপি প্রধান এন চন্দ্রবাবু নাইডু এবং জনতা দলের নীতীশ কুমার। টিডিপি অন্ধ্র প্রদেশে ১৬টি লোকসভা আসন জিতেছে এবং নীতীশ কুমারের জেডিইউ বিহারে ১২টি আসন জিতেছে।
গত দু দফায় বিজেপির একক ক্ষমতায় সরকার গড়েছিল কেন্দ্রে। এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরি’র অভিযোগ তুলে পূর্বতন জোটের শরিকদের উষ্মা প্রকাশ্যে এসেছিল। বিজেপির একক গরিষ্ঠতায় মোদী কারোর কথা শুনতেন না বলেই বিতর্ক ছিল এনডিএ সরকারে। এনডিএ ছেড়েছিলেন নীতীশ। পরে অবশ্য ফের তিনি বিজেপিরই হাত ধরেন। সূত্রের খবর, এবারের লোকসভা ফলাফলে মোদীর একছত্র খতম হতেই নীতীশের চাপ বাড়চ্ছেন। মোদীকে চাপে রেখেছেন চন্দ্রবাবুও।