গতকাল বুধবার, কলিঙ্গ সুপার কাপের (Kalinga Super Cup) সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসিতে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব। এবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালের ম্যাচ। যেখানে মুখোমুখি হবে মুম্বাই সিটি এফসি ও ওডিশা এফসি। এই ম্যাচের জয়ী দলের সঙ্গেই সুপার কপের শেষ ম্যাচ খেলবে কলকাতার এই প্রধান।
তবে যারাই জিতুক না কেন লাল-হলুদের ক্ষেত্রে লড়াইটা যে অপেক্ষাকৃত অনেকটাই কঠিন হয়ে যাবে তা কিন্তু বলাই চলে। এমনকি সেমিফাইনাল ম্যাচেও জয় তোলার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে কার্লোস কুয়াদ্রাতের ছেলেদের। ম্যাচের প্রথম কুড়ি মিনিটের মধ্যেই গোল তুলে নিলেও পরবর্তীতে ব্যাপক চাপ বাড়াতে থাকে জামশেদপুর।
বিশেষ করে তাচিকাওয়ার আক্রমণে কার্যত হিমশিম খেতে হয়েছিল লাল-হলুদ ডিফেন্ডারদের। বারংবার বল উঠে এসেছিল রক্ষনভাগে। তবুও গোলের মুখ খোলা সম্ভব হয়নি জামশেদপুরের পক্ষে। বলতে গেলে ছীমা চুক্তির অভাব যেন মিনিটে মিনিটে অনুভব করেছে এই ফুটবল দল। তবে প্রথমার্ধের শেষে গোল পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার আগেই কুসংস্কারপূর্ণ একটি কাজ করে বসেন জামশেদপুর দলের কোচ। দলকে সমতায় আনার ভাবনা থেকেই মাঠের মধ্যে একটি রুমাল রেখে দেন খালিদ জামিল। কিন্তু তাতেও খুব একটা সুবিধা করা সম্ভব হয়নি। নিজেদের ছন্দে অবিচল থেকেছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল।
এমনকি পরবর্তীতে পেনাল্টি ও আদায় করে নেয় ইস্টবেঙ্গল। তবে ম্যাচে শেষের দিকে জামশেদপুর আক্রমণে উঠে আসলেও লাল-হলুদ গোলরক্ষক প্রভসুখান সিং গীলের দক্ষহাতে ভেস্তে যায় সমস্ত কিছু। অতি অবলীলায় ফাইনালে উঠে আসে ইস্টবেঙ্গল। উল্লেখ্য, চলতি মরশুমের মাঝ পথেই স্কট কুপারের পরিবর্তে খালিদ জামিলের দায়িত্ব তুলে দিয়েছে জামশেদপুর। তার হাত ধরে আদৌ কতটা সফল হতে পারে এখন সেটাই দেখার।




















