Nepal: কৈলাশ দেশে পশুপতি মন্দিরের তাল তাল সোনা চুরি

রহস্যজনক ভাবে নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমান্ডুর পশুপতিনাথ মন্দির থেকে উধাও ১০ কেজি সোনা। সূত্রের খবর, মন্দিরের ১০০ কেজি সোনার মধ্যে ১০ কেজি সোনার গয়না চুরি হয়েছে। এই খবর ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
PashupatinathTemple

রহস্যজনক ভাবে নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমান্ডুর পশুপতিনাথ মন্দির থেকে উধাও ১০ কেজি সোনা। সূত্রের খবর, মন্দিরের ১০০ কেজি সোনার মধ্যে ১০ কেজি সোনার গয়না চুরি হয়েছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে গোটা নেপাল জুড়ে।

নেপালের পার্লামেন্ট থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্ব বিখ্যাত পশুপতিনাথ মন্দিরে চুরির ঘটনা। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মন্দির কর্তৃপক্ষ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গোটা মন্দির চত্বর। যার কারণে রবিবার বিকেল থেকে মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ রয়েছে।

   

নেপালের দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা সিআইএএ পশুপতিনাথ মন্দিরের ১০০ কেজি জলহরি গহনা থেকে রহস্যজনক ভাবে ১০ কেজি সোনা উধাও হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করছে। পশুপতিনাথ মন্দির নেপালের প্রাচীনতম হিন্দু মন্দির। জলহরি গহনা সোনার তৈরি একটি অলঙ্কার, যা গত বছর মহাশিবরাত্রির দিন মন্দিরের অভ্যন্তরে শিবলিঙ্গের চারপাশে স্থাপন করা হয়েছিল।

মন্দির থেকে ১০ কেজি গয়না চুরির খবর সংসদে উত্থাপিত হওয়ার পরেই তা নিয়ে প্রশ্নের ঝড় ওঠে। সেই হেতু নেপাল সরকার এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে। ইতিমধ্যেই সিআইএএ তদন্তের জন্য জালাহারি গয়নার দখল নিয়েছে।

নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির (ইউএমএল) চেয়ারম্যান কেপি ওলি নিজেকে নাস্তিক বলে বর্ণনা করেছেন। কেপি শর্মা ওলি ফেব্রুয়ারিতে নেপালের হিন্দু সম্প্রদায়কে খুশি করার জন্য পশুপতিনাথ মন্দিরে ১০৪ কেজি সোনা অর্পণ করে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন।
পশুপতিনাথ মন্দির ভগবান শিবকে উৎসর্গীকৃত একটি মন্দির। কেপি শর্মা শিবলিঙ্গের জন্য সোনা অর্পণ করেছিলেন এবং ‘জলহরি’ অলঙ্কার তৈরি করেছিলেন। পশুপতি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের (পিএডিটি) একটি সূত্র ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছে, “যে সাধারণত ‘জলহরি’ গহনা রূপা দিয়ে তৈরি হয় তবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অলির নির্দেশে জলহরি গহনাগুলি সোনা দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়েছিল”।

পশুপতি এরিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট (পিএডিটি) সোনা কেনার জন্য ৫০ কোটি টাকা ছাড় দিয়েছিলেন। নেপালের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক থেকে এই সোনা কেনা হয়েছে। পরে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে সোনা কেনার জন্য অতিরিক্ত ৩০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়। কিন্তু পরে আশঙ্কা করা হয়েছিল যে ১০৪ কেজি সোনার সঙ্গে ৭ কেজি রূপা এবং তামার মতো অন্যান্য উপকরণ মেশানো হয়েছিল। এখন অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর সিআইএএ গোটা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে। এটি ঘটনাটি গত মাসে সংসদে উত্থাপিত হয়েছিল।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google