Suu Kyi: জেল থেকে মুক্তি তবে বর্মী সেনার নজরবন্দি সু কি

ব্রহ্মদেশে (মায়ানমার)। ইরাবতী নদীর ধারে ছোট ছোট মদের ভাটিগুলোয় হৈ হৈ শুরু হয়ে গেছে। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে মাছ ধরার সাম্পানগুলো থেকে ভেঁপু বাজতে শুরু করেছে। কয়েকজন বড় বড় ধূপের গোছা সোনার প্যাগোডায় জ্বালিয়ে দিল। গণতন্ত্র বড্ড প্রিয় জিনিষ। সু কি ফের সক্রিয়?

প্রায় তিনবছর পর কারাগার থেকে মুক্তির নির্দেশ নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্ত মায়ানমারের নেত্রী (Suu Kyi) আউং সান সু কি’র তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখবে মায়ানমারের সামরিক সরকার।২০২১ সালে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থানের পর সরকারের পতন ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে সেদেশের সেনা। তখন থেকে বন্দি সু কি। এর পর থেকে গণতন্ত্র ফেরাতে রক্তাক্ত গণআন্দোলন চলছে দেশটিতে। চলছে সেনা বনাম একাধিক গোষ্ঠির সংঘর্ষ। গণহত্যার একটার পর একটা অভিযোগ এসেছে।

মায়ানমারে একটি বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান রয়েছে। সেই উপলক্ষেই বেশ কয়েকজন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সামরিক প্রশাসন। তাতে নাম আছে সু কির।দুর্নীত্র একাধিক অভিযোগে মোট ৩৩ বছরের জন্য কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সুকির।

   

বিবিসি জানাচ্ছে, মায়ানমারের গণতান্ত্রিক নেত্রী সু কি-কে জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার আগে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে সেনা সরকার। একইসঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টেকেও ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। তাদের শাস্তি কম করা হবে বলে জানা গেছে। ৭ হাজারেরও বেশি বন্দিকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে।

তবে সু কি মুক্তি পেলেও মায়ানমারে জরুরি অবস্থার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে। সোমবার দেশটির সেনা সরকারেপ ন্যাশনাল ডিফেন্স ও সিকিউরিটি কাউন্সিল (এনডিএসসি ) জরুরি অবস্থার মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়। এর ফলে মায়ামমারে আগামী জাতীয় নির্বাচন আরও পিছিয়ে যাবে। গত জাতীয় নির্বাচনে সেনা সমর্থিত দলকে পরাজিত করে ক্ষমতা ধরে রাখে সু কি-এর দল। তবে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের আগেই হয়েছিল অভ্যুত্থান। এর পর থেকে রক্তাক্ত পরিস্থিতি মায়ানমারে।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন