আমেরিকার সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই পর পর বিস্ফোরণে কাঁপল কারাকাস

কারাকাস: ২০২৬ সালের শুরুতেই চরম উত্তেজনার মুখে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা। শনিবার ভোরে রাজধানী কারাকাসের আকাশ কেঁপে ওঠে একের পর এক জোরালো বিস্ফোরণে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং…

Multiple explosions in Caracas

কারাকাস: ২০২৬ সালের শুরুতেই চরম উত্তেজনার মুখে লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা। শনিবার ভোরে রাজধানী কারাকাসের আকাশ কেঁপে ওঠে একের পর এক জোরালো বিস্ফোরণে। প্রত্যক্ষদর্শী এবং আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা রয়টার্সের দাবি অনুযায়ী, শহরের দক্ষিণ দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটির কাছে অন্তত সাতটি বিস্ফোরণ ঘটে। এরপরই সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

Advertisements

আকাশে রহস্যময় বিমান ও আতঙ্ক

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP) জানিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় কারাকাসের আকাশে নিচু দিয়ে উড়ন্ত বেশ কিছু সামরিক বিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অন্ধকার আকাশে আগুনের ঝলকানি এবং শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। এই আকস্মিক ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে বহু মানুষ বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।

   

নেপথ্যে কি আমেরিকা?

এই বিস্ফোরণ এমন এক সময়ে ঘটল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সংঘাত চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটক করার পাশাপাশি ড্রাগ পাচারের অভিযোগে ক্যারিবিয়ান সাগরে একাধিক নৌ-অভিযান চালিয়েছে। উল্লেখ্য, এই অভিযানে গত কয়েক দিনে অন্তত ১০৭ জন নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প বারবার মাদুরো সরকারকে উৎখাত করতে ভেনেজুয়েলায় সরাসরি সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন।

দুই পক্ষের অবস্থান

নিকোলাস মাদুরো বরাবরই মার্কিন অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, ওয়াশিংটন আসলে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল ও খনিজ সম্পদ দখল করতেই এই ‘ছায়াযুদ্ধ’ চালাচ্ছে। শুক্রবারই মাদুরো আলোচনার প্রস্তাব দিলেও এই বিস্ফোরণ সেই পথকে আরও জটিল করে তুলল। তবে এই বিস্ফোরণের দায় এখনও কোনো পক্ষ স্বীকার করেনি। পেন্টাগন বা ভেনেজুয়েলার সরকারি দফতর থেকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি মেলেনি।

World: Multiple explosions rocked Venezuela’s capital, Caracas, on Saturday, January 3, 2026, causing widespread panic. Social media footage shows smoke rising from key areas as tensions between the US and Maduro government reach a boiling point.

Advertisements