কেন ট্রাম্পের সঙ্গে গোপন বৈঠকের প্রয়োজন হল মোসাদ প্রধানের ?

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর প্রধান ডেভিড বার্নিয়া (Mossad chief)আমেরিকায় উচ্চপর্যায়ের আলোচনার জন্য পৌঁছেছেন। ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড…

mossad-chief-david-barnea-trump-iran

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ-এর প্রধান ডেভিড বার্নিয়া (Mossad chief)আমেরিকায় উচ্চপর্যায়ের আলোচনার জন্য পৌঁছেছেন। ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে এই সফরটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন, কিন্তু ইসরায়েল সতর্কতার পরামর্শ দিচ্ছে। ইসরায়েল চায় অবিলম্বে বড় ধরনের হামলা না করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে প্রস্তুতি, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক প্রতিশোধের ঝুঁকি মূল্যায়ন করা হোক।

Advertisements

এই সফরের খবর প্রকাশ্যে আসে ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬। অ্যাক্সিওস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বার্নিয়া শুক্রবার সকালে আমেরিকায় পৌঁছান। তিনি মিয়ামিতে হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। উইটকফ ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-র সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের দায়িত্বে রয়েছেন। এই যোগাযোগ চলছে ইরানে চলমান বিক্ষোভ ও সরকারের দমন-পীড়নের পটভূমিতে।

   

আইপিএলের আগে ধাক্কা KKR শিবিরে! বিরতিতে অজিঙ্ক রাহানে

বার্নিয়া কি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে মার-এ-লাগোতে সাক্ষাৎ করবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই সফরের পিছনে রয়েছে বুধবার ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু-র ফোনালাপ। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে অবিলম্বে সামরিক হামলা স্থগিত রাখার অনুরোধ করেন। কারণ, যদি আমেরিকা হামলা করে, তাহলে ইরান প্রতিশোধে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করবে।

ইসরায়েলের আয়রন ডোম, অ্যারো ও অন্যান্য ইন্টারসেপ্টরের স্টক কমে গেছে, এবং প্রস্তুতির জন্য আরও সময় দরকার। ইসরায়েলি সূত্র বলছে, আমেরিকার প্রস্তাবিত হামলা শুধু ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করবে, কিন্তু তা শাসনব্যবস্থাকে গুরুতরভাবে দুর্বল করবে না। ইসরায়েল চায় আরও কঠোর পদক্ষেপ, যাতে ইরানের নিউক্লিয়ার, মিসাইল ও প্রক্সি গ্রুপগুলোর (হিজবুল্লাহ, হুথি) শক্তি কমে।

ইরানে বিক্ষোভের পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। সরকারের দমনমূলক অভিযানে হাজার হাজার মানুষ নিহত ও গ্রেফতার হয়েছে। ইন্টারনেট শাটডাউন চলছে, মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ট্রাম্প প্রথমে হামলার হুমকি দিলেও, সৌদি আরব, কাতার, ওমানের মতো মিত্ররা তাঁকে সতর্ক করেছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যদি ফাঁসির পরিকল্পনা বাতিল করে, তাহলে তা ‘বড় প্রভাব’ ফেলেছে। তিনি কূটনৈতিক সমাধানের আশা প্রকাশ করেছেন, কিন্তু সব বিকল্প খোলা রেখেছেন। পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ পাঠিয়েছে।

Advertisements