
ওয়াশিংটন: আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের (JD Vance)ওহাইওর সিনসিনাটির বাড়িতে গত রাতে একটি নিরাপত্তা-সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সময় সোমবার ভোররাতে বাড়ির একাধিক জানালা ভাঙচুর করা হয়, এবং এই ঘটনায় এক যুবক কে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইউএস সিক্রেট সার্ভিস এবং সিনসিনাটি পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। সৌভাগ্যবশত, ঘটনার সময় ভ্যান্স এবং তাঁর পরিবার বাড়িতে ছিলেন না তাঁরা ওয়াশিংটন ডিসিতে ছিলেন।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি।ঘটনাটি ঘটে ইস্ট ওয়ালনাট হিলস এলাকায় ভ্যান্সের ব্যক্তিগত বাসভবনে। সিক্রেট সার্ভিসের মুখপাত্র অ্যান্থনি গুগলিয়েলমি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, রাত ১২টার কিছু পরে বাড়ির কাছে জোরে শব্দ শোনা যায়। এজেন্টরা তৎক্ষণাৎ সতর্ক হয়ে ওঠেন এবং এক ব্যক্তিকে দেখতে পান, যিনি হাতুড়ি দিয়ে জানালা ভাঙার চেষ্টা করছিলেন।
হামিদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইস্টবেঙ্গল
সূত্রের খবর, সন্দেহভাজন ব্যক্তি বাড়ির ড্রাইভওয়েতে সিক্রেট সার্ভিসের একটি গাড়িতেও ভাঙচুর চালান। এজেন্টরা তাঁকে তৎক্ষণাৎ আটক করেন, এবং পরে সিনসিনাটি পুলিশের হাতে তুলে দেন। সন্দেহভাজনের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি, এবং কোনও অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত করা হয়নি। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এটি কি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ, নাকি এলোমেলো ভাঙচুর।
স্থানীয় মিডিয়ার ছবি এবং ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, বাড়ির একাধিক জানালা ভাঙা। পুলিশ এবং সিক্রেট সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে কয়েক ঘণ্টা ধরে তদন্ত করেন। নববর্ষের ছুটির কারণে এলাকায় ইতিমধ্যে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছিল রাস্তা বন্ধ করে চেকপয়েন্ট বসানো হয়েছিল। ভ্যান্স গত সপ্তাহটা সিনসিনাটিতে কাটিয়েছেন, কিন্তু রবিবার বিকেলে তিনি ওয়াশিংটনে ফিরে যান। তাঁর মুখপাত্র টেলর ভ্যান কির্ক জানিয়েছেন, পরিবারের সবাই নিরাপদে আছেন।
এই ঘটনা মার্কিন রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। জেডি ভ্যান্স ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন। তিনি রিপাবলিকান পার্টির উদীয়মান তারকা এবং ২০২৮-এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হয়। তাঁর কঠোর অভিবাসন নীতি, কার্টেলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের সমর্থন এবং অন্যান্য বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে তিনি প্রায়ই সমালোচনার মুখে পড়েন।
এই আক্রমণের পিছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আছে কি না, তা তদন্তে উঠে আসবে। হোয়াইট হাউসের তরফে এখনও কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া আসেনি, কিন্তু নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চপদস্থ নেতাদের বাড়িতে এমন ঘটনা নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফাঁকফোকর দেখিয়ে দেয়।










