চিন্ময়কৃষ্ণর কোনও কর্মকাণ্ডের দায় নেবে না ইসকন বাংলাদেশ শাখা

Bangladesh

বাংলাদেশে রাষ্ট্রদ্রোহে অভিযুক্ত চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে জেলে পাঠানোর পর থেকে গরম দেশটির রাজনীতি। অভিযোগ, চিন্ময়কৃষ্ণ ভক্ত ও ইসকন (ISKCON) অনুসারীদের হামলায় এক সরকারি আইনজীবীর মৃত্যু হয়েছে। এর পর থেকে বিতর্ক চরমে। এরপর বাংলাদেশে (Bangladesh) ইসকন নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। বিষয়টি বিচারাধীন। তীব্র বিতর্কের মধ্যে ইসকনের বাংলাদেশ শাখা জানাল তারা চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের কোনো কর্মকান্ডের দায় নেবে না।

বিবিসির খবর, চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইসকন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার সংগঠনের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস বলেন, “তার মর্মান্তিক অকাল মৃত্যু আমাদের মর্মাহত করেছে।”এ ঘটনায় ইসকনকে অন্যায়ভাবে দায়ী করার অপচেষ্টা চলছে বলে দাবি করছেন সংগঠনটির নেতারা৷

   

লিখিত বক্তব্যে চারু চন্দ্র দাস বলেন, সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ইসকন বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ছড়ানোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। “কয়েক মাস আগেই প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ গৌর দাস, সদস্য স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাস এবং চট্টগ্রামস্থ পুণ্ডরীক ধামের অধ্যক্ষ চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ইসকনের সাংগঠনিক পদ-পদবী সহ ইসকনের যাবতীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়”।

তিনি জানান,”গত তেসরা অক্টোবর অফিসিয়াল বিবৃতির মাধ্যমে জানানো হয় যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (চন্দন কুমার ধর) ইসকন বাংলাদেশের মুখপাত্র নন। তাই তার বক্তব্য সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত”।

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবামৃত সংঘ তথা ইসকন নিষিদ্ধ করতে হবে বাংলাদেশে এমন দাবির পর ক্রমে এই বৈষ্ণব সংগঠনটির বিরুদ্ধে স্থানীয় বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের সদস্যরাও মুখ খুলতে শুরু করেছেন। তাদের অভিযোগ, ইসকনের কিছু কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক। তবে ইসকন যে খাদ্য দান কর্মসূচি চালায় সেটি প্রশংসনীয়।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন