ওয়াশিংটন: বিশ্ব রাজনীতিতে ফের বড়সড় ধামাকা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মঙ্গলবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি মানচিত্র পোস্ট করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ আন্তর্জাতিক মহলের। সেই মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে, কানাডা, ভেনেজুয়েলা এবং গ্রিনল্যান্ডকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
ভাইরাল এআই মানচিত্র ও ট্রাম্পের বার্তা
সম্ভবত এআই (AI) দিয়ে তৈরি এই মানচিত্রে উত্তর আমেরিকার খোলনলচে বদলে দিয়েছেন ট্রাম্প। অন্য একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্প স্বয়ং উপ-রাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স এবং বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওকে সঙ্গে নিয়ে গ্রিনল্যান্ডের মাটিতে আমেরিকার পতাকা পুঁতছেন। ছবির নিচে লেখা, “গ্রিনল্যান্ড ইউএস টেরিটরি, এস্টাবলিশড ২০২৬” (Greenland US Territory Est 2026)।
কেন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান ট্রাম্প? Donald Trump Greenland claim
খনিজ সম্পদে ঠাসা গ্রিনল্যান্ডকে ‘জাতীয় নিরাপত্তা’র স্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ট্রাম্প। যদিও ডেনমার্ক এবং ন্যাটোর সঙ্গে আমেরিকার আগে থেকেই নিরাপত্তা চুক্তি রয়েছে, তবুও ট্রাম্পের দাবি, এই বিশাল দ্বীপটির ওপর আমেরিকার ‘সম্পূর্ণ এবং নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণ’ প্রয়োজন।
নোবেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প!
এই উত্তেজনার মাঝে ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘি ঢেলেছে। আটটি যুদ্ধ থামানোর দাবি করেও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে ট্রাম্প সাফ জানিয়েছেন, যেহেতু তাঁকে নোবেল দেওয়া হয়নি, তাই তিনি এখন আর শুধু ‘শান্তি’ নিয়ে ভেবে দায়বদ্ধ থাকতে রাজি নন।
কানাডা ও ইউরোপের সঙ্গে সংঘাত
গত বছর ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প কানাডাকে আমেরিকার ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু কানাডা সরকার সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেওয়ায় দুই প্রতিবেশীর মধ্যে শুরু হয়েছে তিক্ত বাণিজ্যিক লড়াই। অন্যদিকে, গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে ডেনমার্ক এবং ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো ট্রাম্পের বিরোধীতা করায় তিনি বিশাল অঙ্কের শুল্ক (Tariff) আরোপের হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাবের জেরে সোমবার থেকেই বিশ্ব শেয়ার বাজারে বড় ধস নেমেছে।
World: US President Donald Trump sparked global shock after sharing an AI-generated map showing Canada, Greenland and Venezuela as US territory, reigniting debates over Greenland, tariffs, NATO ties and his Nobel Peace Prize frustration.
