Bangladesh: ইউনূস শাসনে জনতার উপর বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের গুলির দৃশ্য, কক্সবাজারে কী ঘটেছে?

জনতাকে লক্ষ্য গুলি চালানোর জেরে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। কয়েক ঘণ্টার জন্য বিশ্ববিখ্যাত কক্সবাজার হয়ে গেছিল যুদ্ধক্ষেত্র। এই ঘটনার জেরে অস্বস্তিতে অন্তর্বর্তী…

Bangladesh

জনতাকে লক্ষ্য গুলি চালানোর জেরে তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। কয়েক ঘণ্টার জন্য বিশ্ববিখ্যাত কক্সবাজার হয়ে গেছিল যুদ্ধক্ষেত্র। এই ঘটনার জেরে অস্বস্তিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। গতবছর বাংলাদেশে রক্তাক্ত গণবিক্ষোভে শেখ হাসিনার পতন হয়। এরপর ফের সশস্ত্র বাহিনীকে জনতার দিকে গুলি ছুঁড়তে দেখা গেল। উল্লেখ্য, জনতা ও বিমান বাহিনীর সংঘর্ষে কক্সবাজারে এক ব্যক্তির মৃত্যু ও একাধিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার বিশ্বের অন্যতম সেরা সৈকত নগর। এখানকার সমিতিপাড়ায় বিমান বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটি আছে কক্সবাজার সংলগ্ন সমিতি পাড়ায়। সেখানে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, এই ঘটনায় একজন নিহত ও আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। উভয়পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

   

নিহত ও রক্তাক্ত অন্যান্য গুলিবিদ্ধদের নিয়ে যাওয়ার দ়ৃশ্যে আরও উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমান বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ অভিযান চলে।

Bangladesh

গুলি চালানোর কারণসহ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। এই বিবৃতিতে বলা হয় ‘কক্সবাজারেরর সমিতিপাড়ার কিছু স্থানীয় দুর্বৃত্ত সোমবার বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। উল্লেখ্য যে বিয়াম স্কুলের পাশে বিমানবাহিনীর চেকপোস্ট থেকে স্থানীয় এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলের কাগজপত্র না থাকায় বিমানবাহিনীর প্রভোস্ট কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ঘাঁটির ভেতরে নেওয়া হয়। এ সময় সমিতিপাড়ার আনুমানিক দুই শতাধিকেরও বেশি স্থানীয় লোকজন বিমানবাহিনীর ঘাঁটির দিকে অগ্রসর হলে বিমানবাহিনীর সদস্যরা তাদের বাধা দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বিমানবাহিনীর চেকপোস্ট এলাকায় বিমানবাহিনীর সদস্য ও সমিতিপাড়ার কতিপয় দুষ্কৃতকারী লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে কতিপয় কুচক্রী মহলের ইন্ধনে দুর্বৃত্তরা বিমানবাহিনীর সদস্যদের ওপর ইটপাটকেল ছোড়ে। এ সময় দুর্বৃত্তদের ছোড়া ইটপাটকেলের আঘাতে কয়েকজন আহত হন, যার মধ্যে বিমানবাহিনীর ৪ জন সদস্য (১ জন অফিসার ও ৩ জন বিমানসেনা) আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং শিহাব কবির নাহিদ নামের এক যুবককে গুরুতর আহত অবস্থায় বিমানবাহিনীর গাড়িতে করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন।’