‘খোদায় মালুম স্যার কোথায়?’ ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মৃত্যুর ভয়ে লুকিয়ে

চলতি মাসের প্রথমেও হাসিনা সরকারের ডানহাত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলন থেকে জঙ্গি দমনের কঠোর বার্তা দিতেন। এমনই শক্তিশালী বাংলাদেশের ততকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Home Minister) আসাদুজ্জামান খান কামাল…

'খোদায় মালুম স্যার কোথায়?' ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মৃত্যুর ভয়ে লুকিয়ে

চলতি মাসের প্রথমেও হাসিনা সরকারের ডানহাত ছিলেন। সাংবাদিক সম্মেলন থেকে জঙ্গি দমনের কঠোর বার্তা দিতেন। এমনই শক্তিশালী বাংলাদেশের ততকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Home Minister) আসাদুজ্জামান খান কামাল তাঁর নিজের দেশেই পালিয়ে পালিয়ে বাঁচছেন। গণবিক্ষোভে সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। আর কয়েকজন নেতা মন্ত্রী যে যেমন পেরেছেন দেশত্যাগ করেছেন। পারেননি কামাল ও আরও অনেক মন্ত্রী। সবাই গোপন ঠিকানায়।

খোদায় মালুম স্যার কোথায় ঢুকেছেন! বলছেন পুলিশ অফিসার। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগে পর্যন্ত আসাদুজ্জামান খানের নির্দেশে পুলিশ গণবিক্ষোভে লাগাতার গুলি চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। তবে বিদ্রোহ দমন করতে সর্বচ্চো কড়া ভূমিকার নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। পুলিশই খুঁজছে তাদের প্রাক্তন স্যারকে।

   

সরকারি চাকরিতে আসন সংরক্ষণ ইস্যুতে ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন ক্রমে গণবিক্ষোভে পরিণত হয়। শেখ হাসিনার টানা ১৬ বছরের সরকারের পতন হয়। এরপর নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হন নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

Advertisements

অন্তর্বর্তী সরকার চালাচ্ছে ব্যাপক ধরপাকড়। পলাতক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা গণপিটুনির ভয়ে ভীত। যারা বাংলাদেশ থেকে পালাতে পারেননি তারা বিভিন্ন গোপন ঠিকানায় ঢুকেছেন। এই তালিকায় থাকা প্রাক্তন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মঙ্গলবার নৌকা করে ঢাকা থেকে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবাযদুল কাদের ধৃত। অভিযোগ তাঁর উস্কানিমূলক মন্তব্যে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের উপর হামলা শুরু হয়েছিল।

'খোদায় মালুম স্যার কোথায়?' ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মৃত্যুর ভয়ে লুকিয়ে

ক্ষমতাচ্যুত পলাতক প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধরতে অভিযান চলছে বাংলাদেশে। তিনি ঢাকার এক আবাসন থেকে অন্য আবাসনে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছেন। জানা যাচ্ছে তাঁকে এসকর্ট করছে আওয়ামী লীগেরই কয়েকজন আগ্রাসী কর্মী।

১৫ আাগস্ট বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার দিন। ১৯৭৫ সালের এই তারিখে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেই তাঁকে হত্যা করেছিল বিদ্রোহী সেনা। দিনটি গত ষোল বছর ধরে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করত বাংলাদেশ সরকার। সরকার পাল্টাতেই দিনটির সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট গণবিক্ষোভের সময় মুজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটি পোড়ানো হয়। সেখানেই দলীয় সমর্থকদের জমায়েত আহ্বান করেছেন ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনা। পাল্টা জমায়েত করছে পড়ুয়াদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন মঞ্চ। তাদের সমর্থন করছে বিভিন্ন দল। দুপক্ষের সংঘর্ষ আশঙ্কা