পাকিস্তানের মত পরিস্থিতি বাংলাদেশে? খাদ্য মজুত না করতে অনুরোধ হাসিনার

রমজান মাসের বাজারে আগূন। সাধারণ বাংলাদেশি ক্রেতারা দিশেহারা। অনেকেই বেশি বেশি পরিমাণ চাল, তেল, চিনি সহ অন্যান্য দ্রব্য মজুত করছেন। ক্রেতাদের আশঙ্কা ভবিষ্যতে আরও দাম বাড়বে। এই মজুত প্রবণতা বাজারকে আরও চড়া করে দিচ্ছে।

sekha hasina

পাকিস্তানে ভয়াবহ আর্থিক সংকট চলছে। পাক জনতার হাহাকার বিশ্বজুড়ে আলোচিত। এবার বাংলাদেশেও (Bangladesh) দ্রব্যমূল্যে আগূন ধরেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশবাসীকে অতিরিক্ত খাদ্য মজুত না করার অনুরোধ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, অনেকের প্রবণতা থাকে যে, জিনিসের দাম বেড়ে যাচ্ছে, মজুত করে রাখি। আমি বলব, যখন যেটুকু দরকার সেটুকু কিনুন। 

রমজানে দাম বেড়ে যাবে এমন আশঙ্কায় কাউকে খাদ্যপণ্য মজুত না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে ২০ লাখ টন খাদ্য মজুত আছে। দেশে চালের কোনও অভাব নেই।

   

খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির জন্য অনেকেই বেশি বেশি পরিমাণ চাল, তেল, চিনি সহ অন্যান্য দ্রব্য মজুত করছেন। ক্রেতাদের আশঙ্কা ভবিষ্যতে আরও দাম বাড়বে। এই মজুত প্রবণতা বাজারকে আরও চড়া করে দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মজুত প্রবনতা বন্ধ করতে বলেন।

বাংলাদেশের বাজারে অগ্নিমূল্য। সব পণ্যের দাম উর্ধমুখী। চড়া দামের জন্য ক্রেতারা বাজারমূখী নন। এতে পচনশীল খাদ্যের বাজারে প্রবল লোকসান হচ্ছে। রমজান ও ঈদ উপলক্ষে যে পরিমান কেনাকাটি হওয়ার কথা তা হচ্ছে না।

তিনি বলেন, কিছু আছে মজুতকারী মিথ্যাচার নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই। মানুষের যেন কষ্ট না হয় রমজান মাসে, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা আমরা করছি। 

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন