
ঢাকা: বাংলাদেশের ময়মনসিংহে বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনায় এক হিন্দু যুবক দিপু চন্দ্র দাশকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ, হত্যার কারণ ছিল ইসলামের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগ। হত্যাকাণ্ডটি ঘটে এমন সময় যখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই উত্তেজনাপূর্ণ—জুলাই আন্দোলনের নেতা শরিফ উসমান হাদি-এর মৃত্যু পরবর্তী সহিংসতা চলছিল।
স্থানীয় সূত্রের খবর, দিপু চন্দ্র দাশ ছিলেন ভালুকা উপজেলার ডুবালিয়া পাড়া এলাকার এক গার্মেন্টস কর্মী ও ভাড়াটিয়া। পুলিশ জানায়, স্থানীয় এক গোষ্ঠী তাঁকে মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে রাত ৯টার দিকে পিটিয়ে হত্যা করে। নিহতের লাশ গাছ থেকে ঝুলিয়ে পরে আগুনে দগ্ধ করা হয়।
আইনানুগ ব্যবস্থা নেওযা হবে
পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পরে তারা নিহতের পরিবারের খোঁজ করছে এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলে আইনানুগ ব্যবস্থা শুরু হবে। এই নৃশংস ঘটনার প্রেক্ষিতে ভারতীয় রাজনীতিতেও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ভাজপা আইটি সেলের প্রধান অমিত মালভিয়া এক পোস্টে বলেছেন, “এই ধরনের ঘটনা প্রমাণ করে, যখন ইসলামিক চরমপন্থাকে unchecked রাখা হয় এবং সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা প্রদান করা হয় না, তখন এর ভয়াবহ ফলাফল কী হয়।”
তাঁর আরও মন্তব্য, “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দুদের ভবিষ্যতের জন্য যে পথ দেখাচ্ছেন—যেখানে হিন্দুরা হয়ে উঠছে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক, তাদের কণ্ঠস্বর নিঃশব্দ করা হচ্ছে, এবং তাদের ভূমি সংকুচিত করা হচ্ছে—সেটি বিপজ্জনক। ইতিহাস দেখিয়েছে, আপীল রাজনীতিকে উপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে বিপর্যয় আসবেই।”
উদ্বেগ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের Mob Lynches Hindu Man In Bangladesh
এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও ধর্মীয় সহনশীলতা নিয়ে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, এবং সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করা এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।










