Ilish Price: পয়লা বৈশাখের আগে লাখ টাকায় বিকোচ্ছে ইলিশ!

Declining Profitability Slows Bangladesh’s Hilsa Exports to India
Declining Profitability Slows Bangladesh’s Hilsa Exports to India

কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। উৎসব-অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রতিদিনের খাবারে মাছ ছাড়া চলে না বাঙালিদের। আর মাছের রাজা হল ইলিশ (Ilish Price)। প্রায় সকলেরই প্রিয় ওপার বাংলার পদ্মার ইলিশ। তাই পয়লা বৈশাখের আগে অনেকেই বাজার গিয়ে পদ্মার ইলিশের খোঁজ করছেন। যদিও সহজে তা মিলছে না। মিললেও দাম শুনে ভিরমি খাচ্ছেন অনেকে। আসলে বাংলাদেশের পাইকারি বাজারে ইলিশের দাম লাখ টাকায় পৌঁছানোর কারণেই মাছের রাজার দাম ঊর্ধ্বমুখী। স্বাভাবিকভাবেই ইলিশের দাম শুনে পকেটে ছ্যাঁকা লাগছে অনেকেরই।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খুচরো বাজারে এক কেজি বা তার বেশি ওজনের ইলিশের দাম ৩ থেকে ৬ হাজার টাকা। অবশ্য ছোট ইলিশের দাম কিছুটা কম। ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি প্রতি দাম এক হাজার টাকার আশপাশে। কয়েকদিন আগে কিন্তু এই দাম বেশ কিছুটা কম ছিল ছিল। ব্যবসায়ীরা একাংশের মতে, সকলেই সারা বছর অপেক্ষা করে থাকেন উৎসবের মরশুমে ভালোমন্দ খাবেন বলে। ঈদের কয়েকদিন পরেই বাংলা নববর্ষ। সেই কারণে বাজারে ব্যাপক চাহিদা ইলিশের। তুলনায় জোগান অনেকটাই কম। তাই এভাবে ঝড়ের গতিতে দাম বেড়ে চলেছে। 

   

পাইকারি বাজারেও তরতরিয়ে ইলিশের দাম বৃদ্ধির কারণেই খুচরো বাজারে দাম বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জোগান কম থাকায় বাংলাদেশের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে ইলিশের মণ ছুঁয়েছে লাখ টাকা। ছোট আকারের ইলিশের মণও ছাড়িয়েছে ৫০ হাজার টাকা। বরিশাল সদর মৎস্য আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি জহির সিকদার জানিয়েছেন, অনেক জায়গাতেই মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা চলছে। সেই কারণে ইলিশের দাম এতটা বেড়ে গিয়েছে। আশা করা যায়, কিছুদিনের মধ্যে পাইকারি বাজারে দাম কমে আসবে। সেক্ষেত্রে খুচরো বাজারেও দাম কমবে। 

বরিশাল জেলা মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমলচন্দ্র দাস একটি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘বর্তমানে নদ-নদীতে ইলিশ ধরা পড়ছে কম। কিন্তু বাজারে ক্রেতাদের কাছে ইলিশের চাহিদা বেশি। চাহিদা যত বাড়বে, দাম তত বাড়বে। ক্রেতারাই দাম বাড়িয়ে দেন। এতে আমাদের কিছু করণীয় নেই।’

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন