
SIR-এর বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই মতুয়া অধ্যুষিত এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ, অনিশ্চয়তা ও প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন মতুয়া সম্প্রদায়ের একাংশ। সেই প্রতিবাদের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন বনগাঁর সাংসদ মমতা বালা ঠাকুর, যিনি অনশনেও বসেছিলেন। এমন আবহেই বুধবার মতুয়া গড়ে পৌঁছলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মতুয়া সমাজের উদ্দেশে একের পর এক আশ্বাস দিয়ে তিনি Suvendu Adhikari স্পষ্ট বার্তা দেন—ভয়ের কোনও কারণ নেই, পাশে থাকবে বিজেপি।
মতুয়াদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আশঙ্কা ছিল বিডিও অফিসে হাজিরা দেওয়া ও ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে। সেই প্রসঙ্গেই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে জানান, “যাঁদের নোটিস পাঠানো হবে, শুধু তাঁরাই বিডিও অফিসে যাবেন। ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে যাঁরা, তাঁদের যাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। প্রয়োজনে বিডিও-রাই বাড়িতে এসে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।” তাঁর এই বক্তব্যে প্রবীণ মতুয়াদের মধ্যে স্বস্তির বাতাস বইতে শুরু করে।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ক্ষেত্রে কী করণীয়, সেই প্রক্রিয়াও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, “যদি ইআরও (ERO) কোনও নাম কাটে, তাহলে আমি অশোক কীর্তনিয়ার কাছে একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাট পাঠাব। সেই ফরম্যাট অনুযায়ী ইলেকশন অফিসার (EO)-এর কাছে আবেদন করতে হবে। যদি সেখানেও আবেদন বাতিল হয়, তাহলে সরাসরি সিইও (CEO)-এর কাছে আবেদন করবেন। আর সিইও অফিসে সেই আবেদনের দায়িত্ব আমি নিজে নেব।” তাঁর এই ঘোষণা কার্যত আইনি ও প্রশাসনিক লড়াইয়ে মতুয়াদের পাশে থাকার বার্তা হিসেবেই ধরা হচ্ছে।
শুধু প্রশাসনিক বিষয়েই নয়, নিরাপত্তা নিয়েও কড়া অবস্থান নেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “হিন্দুদের কেশাগ্র স্পর্শ করার সাহস কারও হবে না।” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজ্যে হিন্দু সুরক্ষা ইস্যুকে আরও একবার সামনে আনেন এবং মতুয়া সমাজের আবেগকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেন।










