
সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) সম্প্রতি রাজ্যে শিল্পায়ন, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভোট সংক্রান্ত তৃণমূলের কার্যকলাপ নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মজুমদারের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়ন শেষ, এবং বিজেপি সরকার রাজ্যে শিল্পায়ন ফিরিয়ে আনতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর বক্তব্য, “বাংলায় শিল্পায়ন শেষ হয়ে গেছে। আমরা রাজ্যে আবার শিল্পায়ন ফিরিয়ে আনব।”
মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বক্তব্য অনুযায়ী, শিল্পায়নের অভাব রাজ্যের অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, শিল্পের অভাবে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ কমেছে এবং রাজ্যের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে নতুন শিল্প উদ্যোগ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা বিজেপি সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে। তিনি(Sukanta Majumdar) আরও যোগ করেছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভীত, এবং তা একদম স্বাভাবিক। কারণ তিনি বুঝতে পেরেছেন যে তাঁর রাজ্যে আধিপত্য কমে যাচ্ছে।”
রাজনীতির দিক থেকে মজুমদার আরো বলেন, রাজ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সময় ভোটার তালিকা থেকে ১০৯টি আসনে এমন ভোট বাদ দেওয়া হয়েছে, যা আসল ফলাফলের চেয়ে বেশি। তিনি তৃণমূলের এই কার্যকলাপকে উল্লেখ করে অভিযোগ করেছেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু ভয় পাচ্ছেন যে তিনি রাজ্যে তাঁর আধিপত্য হারাবেন। মজুমদারের কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু ভয় পাচ্ছেন, তাই তৃণমূল আতঙ্কিত। রাজ্যে রাজনৈতিক ভারসাম্য হারানোর শঙ্কায় তারা প্রতিনিয়ত রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে।”
তিনি আরও বলেন, রাজ্যে শিল্পায়নের অভাব শুধু অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, বরং যুবসমাজের মধ্যে হতাশা ও কর্মসংস্থানের অভাবও তৈরি করেছে। যুবসমাজের উন্নয়ন ও চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য রাজ্যে নতুন শিল্প উদ্যোগ গ্রহণ অপরিহার্য। সুকান্ত মজুমদারের মতে, বিজেপি সরকার রাজ্যে শিল্প পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।
বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ্যে শিল্প বান্ধব নীতি তৈরি করা হবে। মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যে নতুন শিল্পায়ন শুধু অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভজনক হবে না, বরং রাজ্যের জনগণের জীবনমানও উন্নত করবে। তিনি আরও বলেছেন যে, রাজ্যে শিল্পায়ন ফিরিয়ে আনা হলে যুবসমাজকে স্থানীয়ভাবে চাকরির সুযোগ মিলবে এবং বহির্বিশ্বে কর্মসংস্থানের জন্য মানুষকে না যেতেও হবে।




