
নন্দীগ্রাম: হাইভোল্টেজ নন্দীগ্রামে ফের একবার নিজেদের আধিপত্য প্রমাণ করল বিজেপি। গোকুলনগর কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ করে বড় জয় ছিনিয়ে নিল গেরুয়া শিবির। ১২টি আসনের মধ্যে ৯টিতেই জয়লাভ করেছেন বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীরা। অন্যদিকে, শাসকদল তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে মাত্র ৩টি আসন। এই জয়ের খবর সামনে আসতেই বিজয় উল্লাসে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।
উল্লাসে মাতোয়ারা গেরুয়া শিবির
ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই গোকুলনগর এলাকায় আবির খেলায় মাতেন বিজেপির কর্মীরা। জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে চলে বিজয় মিছিল। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, এই জয় আসলে নন্দীগ্রামের সাধারণ মানুষের জয় এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জয়। স্থানীয় এক বিজেপি নেতার কথায়, “নন্দীগ্রামের মানুষ বারবার প্রমাণ করে দিচ্ছেন যে তাঁরা কার সঙ্গে আছেন। গোকুলনগর আমাদের ছিল, আমাদেরই থাকল।”
তৃণমূলের পাল্টা অভিযোগ Samabay Election Results
নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেলেও তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, এই পরাজয়ের পেছনে রয়েছে বিজেপির ‘সন্ত্রাস ও অর্থের আস্ফালন’। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিজেপি এলাকায় টাকা ছড়িয়ে ভোট কিনেছে এবং বহিরাগতদের এনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, “সমবায় নির্বাচন কোনো সরাসরি রাজনৈতিক নির্বাচন নয়। বিজেপি এখানে গণতান্ত্রিক মতামত হরণ করেছে। তবে মানুষ যে রায় দিয়েছেন, আমরা তা মাথা পেতে নিচ্ছি।”
রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ
পঞ্চায়েত বা বিধানসভা ভোটের আগে নন্দীগ্রামের বুকে এই সমবায় নির্বাচন ছিল শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরের কাছেই এক অ্যাসিড টেস্ট। গোকুলনগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিজেপির এই বিরাট ব্যবধানে জয় তৃণমূলের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
West Bengal: BJP secures a landslide victory in Nandigram’s Gokulnagar Cooperative Election, winning 9 out of 12 seats. While TMC alleges terror and money power, BJP credits Suvendu Adhikari’s leadership for this major win ahead of upcoming Bengal polls.










