
কলকাতা: ডিসেম্বরের মাঝামাঝি এসে পশ্চিমবঙ্গে শীতের ছোঁয়া আরও গাঢ় হয়েছে (Bengal weather update)। আজ ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে মূলত শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কোনও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই, তবে ভোররাতে এবং সকালে কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার দাপট দেখা যেতে পারে।
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় ঠান্ডা আরও বেশি, যেখানে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নীচে নেমে যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে দিনের বেলা রোদের দেখা মিললেও সন্ধ্যা নামতেই শীতের কামড় অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, উত্তর-পশ্চিমী হাওয়ার প্রভাবে এই শুষ্ক এবং শীতল আবহাওয়া আরও কয়েকদিন চলবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আজকের ছবি বেশ আরামদায়ক।
দূষণে স্তব্ধ ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ, খোঁচা দিয়ে ‘বিস্ফোরক’ কংগ্রেস নেতা
কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে, আর দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২৭-২৮ ডিগ্রি পর্যন্ত। আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার, দুপুরের দিকে হালকা মেঘের আনাগোনা সম্ভব। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে একই রকম আবহাওয়া।
পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রামে সকালে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে, যা দৃশ্যমানতা কমিয়ে দেবে। চালকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায়, যেমন দিঘা বা মন্দারমণিতে বাতাসের গতি কিছুটা বেশি থাকবে, কিন্তু সমুদ্র শান্ত। মৎস্যজীবীরা নির্বিঘ্নে সমুদ্রে যেতে পারবেন। সব মিলিয়ে দক্ষিণবঙ্গে শীতের মিষ্টি আমেজ, যা পিকনিক বা বাইরে ঘোরাফেরার জন্য আদর্শ।
তবে সন্ধ্যার পর হালকা গরম জামাকাপড় সঙ্গে রাখা ভালো।উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া একটু ভিন্ন। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়ংয়ের মতো পাহাড়ি জেলায় ঠান্ডা জাঁকিয়ে বসেছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি, দিনে সর্বোচ্চ ১৮-২০ ডিগ্রি। আকাশ পরিষ্কার থাকলেও সকালে ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকতে পারে।
পর্যটকরা যাঁরা কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য সুখবর—দুপুরের দিকে আকাশ খুলে যাবে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২-১৪ ডিগ্রি, দিনে ২৪-২৬ ডিগ্রি। শিলিগুড়িতে সকালে হালকা কুয়াশা, কিন্তু দিনটা রোদেলা। মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে শুষ্ক আবহাওয়া, তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। উত্তরবঙ্গে কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, যা চা বাগান এবং কৃষির জন্য স্বস্তির। তবে রাতে ঠান্ডা বেশি পড়ায় বয়স্ক এবং শিশুদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।









