আজ ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, সোমবার পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুষ্ক, শীতল (weather)এবং কুয়াশাচ্ছন্ন। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD)-র আলিপুর আঞ্চলিক কেন্দ্রের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গে কোনো বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আকাশ পরিষ্কার থেকে আংশিক মেঘলা থাকবে, তবে সকালের দিকে ঘন কুয়াশার দাপট থাকতে পারে, বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের সাব-হিমালয়ান অঞ্চলে।
এই কুয়াশা দৃশ্যমানতা কমিয়ে দিতে পারে ৫০-২০০ মিটারের নিচে, যা যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে পারে।কলকাতা ও দক্ষিণ বঙ্গে আজ সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাবে, যা দুপুরের দিকে কেটে যাবে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে প্রায় ১০-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠবে ২২-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
পড়শি দেশে বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে জঙ্গি ঘাঁটি বানাতে সাহায্য করছে সেনা
দিনভর উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হালকা বাতাস (৫-১০ কিমি/ঘণ্টা) বইবে। শীতের অনুভূতি থাকবে, বিশেষ করে সকাল-সন্ধ্যায়। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে (যেমন বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান) সকালে ঘন কুয়াশা এবং শীতল আবহাওয়া বিরাজ করবে, তবে দিনের বেলা রোদ উঠলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। বৃষ্টি বা ঝড়ের কোনো আশঙ্কা নেই।
উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় সকালে খুব ঘন কুয়াশা (visibility ৫০-২০০ মিটারের নিচে) থাকার সম্ভাবনা বেশি। IMD-র সতর্কতা অনুযায়ী, এই কুয়াশা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকবে, পাহাড়ি এলাকায় (দার্জিলিং) আরও কম, ৮-১০ ডিগ্রি।
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি ও সমতল অঞ্চলে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে, কোনো বৃষ্টি বা তুষারপাতের সম্ভাবনা নেই। উত্তরবঙ্গে কুয়াশার কারণে সকালে রাস্তায় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, বিশেষ করে গাড়ি চালানোর সময়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এই শীতল ও শুষ্ক আবহাওয়া মাঘ মাসের শুরুর স্বাভাবিক ছবি।
উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। আগামী ২-৩ দিনে তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে, তবে কুয়াশা অব্যাহত থাকবে। কলকাতায় আজ সকালে কুয়াশার জন্য দৃশ্যমানতা কম থাকতে পারে, যা বিমান ও রেল চলাচলে প্রভাব ফেলতে পারে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ে শীতের পোশাক, শরীর গরম রাখার ব্যবস্থা এবং কুয়াশায় সতর্কতা জরুরি।
