
১১ জানুয়ারি, ২০২৬ শনিবার। শীতের মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে বাংলায় কনকনে (weather)ঠান্ডার দাপট অব্যাহত রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (IMD)-এর সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুসারে, উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে শুকনো আবহাওয়া বজায় থাকবে, তবে সকালের দিকে কুয়াশার দাপট থাকবে এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকার সম্ভাবনা।
এই শীতের স্পেল এখনও কমার লক্ষণ দেখাচ্ছে না, বরং কয়েকদিন ধরে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (যেমন হাওড়া, হুগলি, উত্তর-দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ) ১১ জানুয়ারি শুকনো আবহাওয়া বিরাজ করবে। সকালের দিকে অগভীর থেকে মাঝারি কুয়াশা (visibility 999-200 মিটার) থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, যা কয়েকটি জায়গায় দৃশ্যমানতা কমিয়ে দেবে।
ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ করল ইউনুস সরকার
সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০-১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২-৩ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২০-২২ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। কলকাতায় সকালে ঠান্ডা হাওয়া ও কুয়াশায় জবুথবু অবস্থা থাকবে, দুপুরের দিকে রোদ উঠলেও শীতের অনুভূতি কমবে না। বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ কয়েকটি জেলায় তাপমাত্রা আরও নিচে নামতে পারে, ৭-৯ ডিগ্রির ঘরে।
উত্তরবঙ্গে (দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর-দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং) শীতের দাপট আরও বেশি। সকালের দিকে ঘন থেকে অতি ঘন কুয়াশা (visibility 50-199 মিটার বা তারও কম) থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে।
দার্জিলিং পাহাড়ে তাপমাত্রা ২-৬ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে, কোথাও কোথাও হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সমতলে শিলিগুড়ি-সহ এলাকায় সর্বনিম্ন ৮-১১ ডিগ্রি, সর্বোচ্চ ২০-২২ ডিগ্রি। কুয়াশার কারণে সকালে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হতে পারে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২-৩ দিনে (১১-১৩ জানুয়ারি) রাতের তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তন নেই, তবে সাব-হিমালয়ান অঞ্চলে ধীরে ধীরে ২-৩ ডিগ্রি কমার সম্ভাবনা।
দক্ষিণবঙ্গে শীতের অনুভূতি বেশি থাকবে কারণ দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কম। বঙ্গোপসাগরে একটি ডিপ্রেশনের প্রভাবে দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টি হলেও বাংলায় কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। কুয়াশা ও ঠান্ডা হাওয়ার কারণে সকালে বাইরে বেরোলে গরম কাপড়, স্কার্ফ ও মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বয়স্ক ও শিশুদের বিশেষ সতর্কতা দরকার।









