পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে হাইকোর্টের আদেশে কোচবিহারে মিঠুনের পরিবর্তন সভা

ভোটের মরশুম এলেই রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ে, এবং সেই উত্তেজনার মধ্যে মাঠে নামেন রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে কোচবিহারে বিজেপি নেতা…

Mithun's Political Gathering in Cooch Behar Approved by High Court

ভোটের মরশুম এলেই রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ে, এবং সেই উত্তেজনার মধ্যে মাঠে নামেন রাজ্যের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। তবে কোচবিহারে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) পরিকল্পিত সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। প্রথমে কোচবিহারের পুলিশ সভার অনুমতি দেয়নি। মিঠুন চক্রবর্তীর ‘পরিবর্তন’ সভা অনুষ্ঠিত হবে এমন খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে জেলা রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা জানান, এই অনুমতির অভাবে নেতাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল এবং রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জেলা বিজেপি নেতারা তোপের পর তোপ দেগেছিলেন। তারা অভিযোগ করেন যে, সভার অনুমতি অযৌক্তিকভাবে আটকাল হয়েছে, যা রাজনৈতিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। স্থানীয় কর্মীরা দাবি করেন, এই সভা শুধু রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ নয়, বরং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

Advertisements

উভয় পক্ষের চাপ এবং বিতর্ক বাড়তে থাকায় অবশেষে আয়োজকেরা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি দ্রুত কার্যকর করে এবং সভার অনুমতি দেয়। হাইকোর্টের এই ছাড়পত্রে রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক সাড়া পড়ে। আদালতের নির্দেশের পর স্থানীয় প্রশাসনকে সভার নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু আয়োজন নিশ্চিত করতে বলা হয়। এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তীর সমর্থকরা উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য মিঠুন চক্রবর্তী নিজেই মাঠে উপস্থিত থাকার পরিকল্পনা করেন। ২ জানুয়ারি কোচবিহারের পুরাতন পোস্ট অফিসের মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ‘পরিবর্তন’ সভা। মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতি ও বক্তব্য কেন্দ্রীয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। এই সভার মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে দলীয় বার্তা পৌঁছে দেবেন এবং নিজেদের কর্মসূচি তুলে ধরবেন। পদ্ম কর্মীরা সভার প্রস্তুতিতে উজ্জীবিত, আর স্থানীয় ভোটারদের আগ্রহও লক্ষ্যযোগ্য।

   

শেষ পর্যন্ত, ২ জানুয়ারি কোচবিহারের পুরাতন পোস্ট অফিসের মাঠে অনুষ্ঠিত এই সভা ভোট প্রক্রিয়ার উত্তেজনা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা উভয়েরই প্রতিফলন হিসেবে দেখা যাচ্ছে। পদ্ম কর্মীরা ইতোমধ্যেই উচ্ছ্বসিত, এবং ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই সভা রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোটের আগের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করবে, যা ভোটপ্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

 

Advertisements