কলকাতা: বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে কলকাতায় প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন করতে আহ্বান জানান।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কলকাতায় আমরা নীরব থাকব না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনো হিংসা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা আমাদের শক্তি দিয়ে প্রতিটি ঘটনার নিন্দা জানাব।” তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে মানুষের জন্য সচেতনতা তৈরি করা এবং সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার গুরুত্ব।
এই প্রতিবাদ সভায় বড় সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নাগরিকরা ব্যানার্ড, পোস্টার এবং প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানালেন। অনেকেই এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্থানীয় সূত্রের মতে, জনসভা ও বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তবে জনসমাগম দেখে বোঝা গেছে যে মানুষ এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হতে চান।
শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে সরকারের দিকেও ইঙ্গিত দেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আমরা চাই, শুধু প্রতিবাদ নয়, সেই সঙ্গে প্রশাসন যেন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়।” তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরব হতে হবে।
এছাড়াও তিনি জনতাকে সতর্ক করেছেন যে, শুধু এক দিনের প্রতিবাদ নয়, সচেতনতা, শিক্ষামূলক প্রচার এবং সমাজে ন্যায়বিচারের চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে। এই বক্তব্যে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই আন্দোলন কেবলমাত্র প্রতিবাদী কর্মসূচি নয়, বরং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর একটি মাধ্যম হিসেবেও কাজ করছে।
বিক্ষোভকারীদের একাংশ বলেন, “আমরা চাই, কোনো ধর্ম বা সম্প্রদায়ের মানুষ হোক বা না হোক, সব নাগরিকের জীবন নিরাপদ হোক। এমন হত্যাকাণ্ড কখনোই স্থান পাবে না।”
